• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
প্রাপ্ত আসন ২১৩
প্রতীক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতীক
জামায়াত জোট
জামায়াত জোট
প্রাপ্ত আসন ৭০
প্রতীক জামায়াত জোট প্রতীক
জাতীয় নাগরিক পার্টি
জাতীয় নাগরিক পার্টি
প্রাপ্ত আসন
প্রতীক জাতীয় নাগরিক পার্টি প্রতীক
মোট ভোটার: ১২,৭৬,৯৫,১৮৩ | আসন: ২৯৯ | ঘোষিত আসন: ২৯৭

গণভোট: ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮১ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫০ পি.এম.
নির্বাচন কমিশন এর সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটই পেয়েছে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সরকারি হিসাবে দেখা গেছে, ‘না’ ভোটের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি ভোট পড়েছে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় এ ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচন কমিশন–এর সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং ‘না’ পক্ষে ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। ২৯৯টি আসনে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে মোট ভোটার উপস্থিতি ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।

কী ছিল গণভোটের প্রশ্ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি), জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে এই গণভোট আয়োজন করা হয়। ব্যালট পেপারে চারটি নির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে একটি সমন্বিত প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, যেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’—এই দুই বিকল্পের মাধ্যমে মত দেন।

গণভোটের প্রশ্নটি ছিল

‘আপনি কি জুলাই ‘জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?’ জবাবে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিতে বলা হয় ।

চারটি মূল প্রস্তাব

গণভোটে যে চারটি বিষয়ের ওপর মতামত চাওয়া হয়, সেগুলো হলো—

১. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী গঠন করা।

২. দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু করা; এর মধ্যে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা।

৩. নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব—যেগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে—তা বাস্তবায়নে ভবিষ্যৎ বিজয়ী দলগুলোকে বাধ্য রাখা।

৪. জুলাই সনদে উল্লিখিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার অনুযায়ী কার্যকর করা।

ভিওডি বাংলা/এমএস  

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বিএনপিকে অভিনন্দন, নতুন অধ্যায় শুরুর প্রত্যয় চীনের
বিএনপিকে অভিনন্দন, নতুন অধ্যায় শুরুর প্রত্যয় চীনের
তিন আসনের ফল ঘোষণা করবে না ইসি
তিন আসনের ফল ঘোষণা করবে না ইসি
দেশবাসীকে ধন্যবাদ ইসির
দেশবাসীকে ধন্যবাদ ইসির