• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
প্রাপ্ত আসন ২১৩
প্রতীক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতীক
জামায়াত জোট
জামায়াত জোট
প্রাপ্ত আসন ৭০
প্রতীক জামায়াত জোট প্রতীক
জাতীয় নাগরিক পার্টি
জাতীয় নাগরিক পার্টি
প্রাপ্ত আসন
প্রতীক জাতীয় নাগরিক পার্টি প্রতীক
মোট ভোটার: ১২,৭৬,৯৫,১৮৩ | আসন: ২৯৯ | ঘোষিত আসন: ২৯৭

আলোচনায় নতুন নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৩ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা ২১৩ আসনে জয় পেয়েছেন। ফলে একক খ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। 

এ অবস্থায় স্পীকার না থাকায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন। কীভাবে সরকার গঠন হবে। নতুন নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা। তবে সব প্রশ্নের উত্তর নির্ধারিত আছে সংবিধানেই। 

সংবিধান অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের বিধান রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল আনুষ্ঠানিক ফল নয়; গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সেই সময়সীমা কার্যকর হয় না। ফলে ভোটগণনা শেষে গেজেট জারি হতে কয়েক দিন বাড়তি সময় লাগতে পারে।

নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) ফলাফলের সরকারি  প্রকাশের পরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের সময়সূচি কার্যকর হয়।  প্রচলিত নিয়মে জাতীয় সংসদের স্পিকার সদস্যদের শপথ পড়ালেও বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পিকার বা সংসদের অনুপস্থিতি একটি অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। তবে সংবিধান মতে, রাষ্ট্রপতি চাইলে কোনো ব্যক্তিকে শপথ পড়ানোর দায়িত্ব দিতে পারেন; নির্ধারিত সময়ে তা সম্ভব না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন-এমন বিধান রয়েছে।

শপথ সম্পন্ন হলে সংসদ নির্বাচনে যে দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে রাষ্ট্রপতি সেই দলকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান। দলনেতাই তখন সংসদের আস্থাভাজন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে যান।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই তাদের দায়িত্ব কার্যকর হয়। অর্থাৎ এই মুহূর্তেই আগের সরকারের ক্ষমতা শেষ হয়ে নতুন সরকারের হাতে প্রশাসনিক ও নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, পুরো প্রক্রিয়াটি কয়েক দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে, যদিও ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও আনুষ্ঠানিকতা মিলিয়ে কিছু সময় লাগা স্বাভাবিক। তবে সংবিধানের নির্ধারিত ধাপগুলো অনুসরণ করা হলে ক্ষমতা হস্তান্তরে কোনো সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হওয়ার সুযোগ নেই।

ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বিএনপিকে অভিনন্দন, নতুন অধ্যায় শুরুর প্রত্যয় চীনের
বিএনপিকে অভিনন্দন, নতুন অধ্যায় শুরুর প্রত্যয় চীনের
তিন আসনের ফল ঘোষণা করবে না ইসি
তিন আসনের ফল ঘোষণা করবে না ইসি
দেশবাসীকে ধন্যবাদ ইসির
দেশবাসীকে ধন্যবাদ ইসির