হঠাৎ অস্থির চালের বাজার:
১১০০ কোটি টাকার ধান পঁচার সুযোগ নিলো সিন্ডিকেট

আগামী সপ্তাহে ঈদ। এরই মধ্যে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে চালের বাজার। কয়েকদিন ধরে চালের পাইকারি পর্যায়ে- অর্থাৎ আড়তে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২-৪ টাকা পর্যন্ত। কারণ হিসেবে বৈরি আবহাওয়া আর মিল সিন্ডিকেটকে দুষছেন বিক্রেতারা।
তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন, চাল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম বোরো। কিন্তু মৌসুমের মাঝখানে ডিজেলসংকটে সেচ বিঘ্নিত হওয়া এবং শেষ দিকে বৃষ্টি ও ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধান। সম্প্রতি অতি বৃষ্টির কারণে হাওরের জেলাগুলোতে ৪৯ হাজার হেক্টর ধানের জমি প্লাবিত হয়েছে। এতে চালের ক্ষতি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪০৬ টন। টাকার হিসাবে ক্ষতি ১ হাজার ১২৮ কোটি টাকা।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, হাওরের এই ক্ষতির প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চালের দাম প্রতি বস্তায় বেড়েছে প্রায় ৮০-১০০ টাকা। এক-দুই দিনে খুচরা পর্যায়েও বিরূপ প্রভাব তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কিন্তু চালের দাম নিয়ন্ত্রণ কিভাবে হবে সে বিষয়ে হতাশা আর দুশ্চিন্তা বেড়েছে নিম্ন, নিম্নমধ্য ও মধ্যবিত্তদের।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ কৃষককে বিশেষ সহয়তার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর্থিক সহয়তার পাশাপাশি ফসলের বিমা এবং কৃষি ঋণ সহজ করতে নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। কৃষকের ক্ষতি পোষাতে ঈদের পর থেকে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা হবে।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু







