• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহল দেবে সেনাবাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৯ পি.এম.
সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম।সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহল দেবেন সেনাসদস্যরা। নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সারাদেশে এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এবার সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং ভোটকেন্দ্রে আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এ বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি থেকে এই বাড়তি সেনা মোতায়েন কার্যকর রয়েছে এবং নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে।

সেনাসদস্য সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম বলেন, পূর্ববর্তী নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪২ হাজার সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। তখন তারা মূলত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করতেন এবং প্রয়োজনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হতেন।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন ভিন্ন বাস্তবতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সাধারণ ভোটাররা যেন ভয়মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন—এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সে কারণেই সেনাসদস্যদের ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা আগের কোনো নির্বাচনে ছিল না।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনজুরুল ইসলাম আরও জানান, সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্যকে ব্যারাকে রেখে বাকি সদস্যদের মাঠে মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং জনগণের আস্থা দৃঢ় করা যায়।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর নিজস্ব যানবাহনের কিছুটা সংকট থাকায় অসামরিক প্রশাসনের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তবে সব জায়গায় পর্যাপ্ত যানবাহন না পাওয়ায় প্রয়োজনে বেসরকারিভাবে গাড়ি ভাড়া করেও সেনাসদস্যদের টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সেনাসদস্যরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাঠে কাজ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একমাত্র লক্ষ্য হলো ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার অনুভূতি ফিরিয়ে আনা এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা।

সেনাসদরের সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পুরো নির্বাচনী সময়জুড়ে সেনাবাহিনী টহল, পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানে প্রস্তুত থাকবে।

ভিওডি বাংলা/ আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টা চীন সফরে যাচ্ছেন মঙ্গলবার
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টা চীন সফরে যাচ্ছেন মঙ্গলবার
সিরডাপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পল্লী উন্নয়নে নতুন গতি আসবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
সিরডাপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পল্লী উন্নয়নে নতুন গতি আসবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
ঢাকায় আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল
ঢাকায় আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল