• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

আজ ভোটের মাঠে নামছেন সেনাসহ সব বাহিনীর সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৭ পি.এম.
সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত সদস্যরা ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন – ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে আজ রোববার থেকে ভোটের মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন সেনাসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি ভোট কার্যক্রম তদারকিতে দায়িত্ব পালন করবেন ১,০৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। ভোটগ্রহণ শেষ হলেও তারা দুই দিন পর্যন্ত মাঠে থাকবেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, “সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে। তবে আজ থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের আগে এবং পরে সাত দিন দায়িত্বে থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে ভোটের পরিস্থিতি এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সহায়ক রয়েছে।”

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে। স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার (In Aid to Civil Power) কার্যক্রমের আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

জানা গেছে, এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি)  ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌ-বাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র‌্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, চৌকিদার দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে।

সব বাহিনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে নিয়মিত রিপোর্ট দেবে এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

এ নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে থাকবে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে। ভোটকেন্দ্রে বাহিনীর সদস্যদের সংখ্যা এলাকায় ভেদে নির্ধারিত হয়েছে:

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রতি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৫-১৬ জন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি সাধারণ ভোটকেন্দ্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র থাকবে ১৭ জন। দুর্গম ও বিশেষ এলাকায় সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১৬-১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১৭ থেকে ১৮ জন।

ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টা চীন সফরে যাচ্ছেন মঙ্গলবার
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টা চীন সফরে যাচ্ছেন মঙ্গলবার
সিরডাপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পল্লী উন্নয়নে নতুন গতি আসবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
সিরডাপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পল্লী উন্নয়নে নতুন গতি আসবে : এলজিআরডি মন্ত্রী