সালাহউদ্দিন আহমদ:
আমার এই বর্ধিত হায়াত মানুষের সেবা করার জন্য

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তার বেঁচে থাকার কথা ছিল না, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুম করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “আপনাদের দোয়া রাব্বুল আলামিন গ্রহণ করেছেন। আমি নতুন জীবন পেয়েছি। এই বর্ধিত হায়াত আমি দেশের মানুষের সেবা এবং উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করব।”
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর এলাকার বাস টার্মিনাল চত্বরে আয়োজিত শেষ নির্বাচনী জনসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আমাদের সন্তানরা রক্ত দিয়েছেন একটি বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য। সেই স্বপ্নের দিকে এগিয়ে আমরা এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য আর কোনো মানুষকে জীবন দিতে হবে না।”
সভায় তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট চেয়ে বলেন, “বিএনপির ইতিহাস দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাস। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনাদের সকলে নির্ভয়ে ধানের শীষে ভোট দেবেন। ফলাফল না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। ইনশাআল্লাহ, জনগণের বিজয় নিশ্চিত।”
চকরিয়া ও পেকুয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপির নেতাকর্মী ও ধানের শীষ সমর্থকরা জনসভায় অংশ নেন। সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, এতে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটেছে।
সভা পরিচালনা করেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্নাসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তারা সবাই নির্বাচনী প্রচারণা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা এবং একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সরকার জনগণের আশা অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই জনগণ এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে নিজের অধিকার পুনরুদ্ধার করবে।”
নির্বাচন ঘিরে চকরিয়া ও পেকুয়া অঞ্চলে বিএনপি নেতাকর্মীরা জনসচেতনতা ও ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছেন। ধানের শীষের প্রতি জনসাধারণের সমর্থন আরও দৃঢ় হচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ভিওডি বাংলা/জা







