বাংলাদেশের ইতিহাসে
বয়োজ্যেষ্ঠ প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল জয় লাভের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথে রয়েছেন। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে এবং আগামী দিনে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথ সুগম হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফিরে তিনি এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
৬০ বছর বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়ায় তিনি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ প্রথমবারের সরকারপ্রধান হিসেবে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছেন। অতীতে বাংলাদেশে সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যেই সরকারপ্রধান হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে।
স্বাধীনতার পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ দায়িত্ব নেওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৪৬ বছর। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের সময় ছিলেন ৫২ বছর বয়সী। নব্বইয়ের দশকে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন ৪৬ বছর বয়সে। অন্যদিকে শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন ৪৯ বছর বয়সে।
সে তুলনায় ৬০ বছর বয়সে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী পদে অভিষেককে বিশ্লেষকেরা দেখছেন ভিন্ন মাত্রায়। তাদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাবরণ ও নির্বাসিত জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে পরিণত রাজনৈতিক নেতৃত্বে রূপ দিয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।
নির্বাচনের পর দেশের পুঁজিবাজার ও আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন নতুন সরকারের দিকে। বিশেষ করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারে তার নেতৃত্ব কী ভূমিকা রাখে—তা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক কিছু গণমাধ্যম ইতোমধ্যেই তাকে সরকার গঠনের ‘ফ্রন্ট-রানার’ হিসেবে উল্লেখ করে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে।
ভিওডি বাংলা/ আ







