কুড়িগ্রামে শিমুল পলাশের রঙে ফাগুনে অপরূপ সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে

উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রাম জুড়ে এখন বসন্তের রঙিন ছোঁয়া। শীতের কুয়াশা কেটে ফাগুনের আগমনে প্রকৃতি যেন আগুনরাঙা শাড়ি পরে সেজেছে। গ্রামগঞ্জের পথঘাট, মাঠ-প্রান্তর আর নদীতীর জুড়ে ফুটে উঠেছে লাল শিমুল আর কমলা পলাশ।উঁচু ডালে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা শিমুল ফুল দূর থেকেই দৃষ্টি কেড়ে নিচ্ছে। রক্তিম আভায় মোড়া এই ফুল যেন বসন্তের আগমনী বার্তা।
অন্যদিকে পলাশ বনের আগুন’ নামে পরিচিত তার কমলা আভায় বনভূমিকে করে তুলেছে আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।দখিনা হাওয়ায় যখন শিমুল–পলাশের পাপড়ি ঝরে পড়ে, তখন মাটিও লাল-কমলার রঙিন কার্পেটে ঢেকে যায়। কোকিলের কুহুতানে মুখর চারদিক—সব মিলিয়ে কুড়িগ্রামের প্রকৃতি যেন এক জীবন্ত চিত্রপট।প্রতিদিন সকাল-বিকেল প্রকৃতির এই রূপ উপভোগ করতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নানা রঙের ফুল ফোটায় প্রকৃতির রঙে মেতেছে শিক্ষার্থীরা।

ফুলপেমীরা বিপ্লব, রামকৃষ্ণ,মিষ্টি ও মনি জানান , প্রকৃতিতে এখন শিমুল পলাশের রাজত্ব সহ বিভিন্ন ফুলের সমারাহ যা তাদের মনকে বিমহিত করছে। এখন প্রকৃতিতে আমরা যেদিকে তাকাই সেদিকে শিমুল পলাশের ছড়াছড়ি, যে দৃশ্য আমাদের মনকে বিমোহিত করে।
শিশু সাহিত্যিক ও লেখক সুজয় সরকার জানান, প্রকৃতি অপরূপ রূপে সেজেছে, যে রং মনকে নাড়া দিচ্ছে, এই রঙে কবি সাহিত্যিক তাদের গল্প কবিতা লিখছেন, তেমনি তিনিও হারিয়ে গিয়েছেন শিমুল পলাশের রঙে।
ফাগুন শুধু ঋতু নয়,এটি আশার বার্তা। শিমুল–পলাশের রঙে রাঙানো কুড়িগ্রাম যেন জানিয়ে দিচ্ছে শীত পেরিয়ে জীবনও একদিন বসন্তে ফিরে আসে।
ভিওডি বাংলা/জাহাঙ্গীর আলম/আ







