• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুলাই শহীদদের স্মরণসভা ৪ জুলাই, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে চায়: মাহ্‌দী আমিন দেশে হামের উপসর্গে একদিনে ৫ শিশুর মৃত্যু জীবনের সব পর্যায়ে কবি নজরুলের প্রভাব অপরিসীম: প্রধানমন্ত্রী ৩৫৭ টাকা কমিয়ে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মা রেল সেতুর মাটি অপসারণ চলছে: রবিউল আলম ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বাধা কাটল

ঘন ঘন ভূমিকম্প, বড় দুর্যোগের পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৭ পি.এম.
ভূমিকম্প। ছবি: সংগৃহীত
ভূমিকম্প। ছবি: সংগৃহীত

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই দেশজুড়ে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে। সর্বশেষ গত বুধবার রাতে ৫.১ মাত্রার একটি মাঝারি ভূমিকম্পে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে ওঠে। এ নিয়ে চলতি মাসে দেশে আটবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার রাতে মিয়ানমারে সৃষ্ট ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১২৯ কিলোমিটার গভীরে। যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ঘন ঘন এই ভূমিকম্প বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস কি না, তা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার মৃদু কম্পন হয়। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রা এবং মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার দুটি কম্পন ছিল। তারপর ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দু্ইবার এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ২৬ দিনে আটবার কেঁপেছে দেশ।

গত বছরের নভেম্বরে ৫.৭ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশে ১০ জন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিলেন।

ভূতত্ত্ববিদরা ঘন ঘন এই কম্পনকে বড় ধরনের দুর্যোগের পূর্বলক্ষণ হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, বাংলাদেশের আশপাশের অঞ্চল এবং দেশের ভেতরে ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের সংখ্যা বাড়ছে। ভূতাত্ত্বিকভাবে এটি বড় ধরনের ভূমিকম্পের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে। বাংলাদেশ ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবেই অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে রয়েছে। 

ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, ঘন ঘন কম্পনগুলো বড় ভূমিকম্পের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। ভূত্বকের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে শক্তি জমা হতে থাকলে তা ছোট ছোট কম্পনের মাধ্যমে আংশিক মুক্ত হয়। ছোট কম্পনগুলো নির্দেশ করছে যে ভূ-অভ্যন্তরে বড় ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বড় কোনো শক্তি মুক্ত না হলে তা মহাবিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি এখনও উদ্ধার তৎপরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। পাশাপাশি ভূমিকম্পে হতাহাতে ঘটনা যাতে না ঘটে সেই ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে। অবকাঠামোগত ঝুঁকি কমাতে বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো, নিয়মিত মহড়া এবং ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপনা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করেন তিনি।

ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জীবনের সব পর্যায়ে কবি নজরুলের প্রভাব অপরিসীম: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বৈঠক
সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথিদের সঙ্গে নবনির্বাচিত সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ আলী। ছবি: ভিওডি বাংলা
সুপ্রিম কোর্ট বারে মোহাম্মদ আলীকে সংবর্ধনা