ইফতারের আগে নিখোঁজ শিশু শাওনের মরদেহ মিলল ভুট্টাক্ষেতে

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের কিছুক্ষণ পর এক শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার ৯ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নের আমরুল বাড়ি ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশুর নাম শাওন (শামস)। সে ওই গ্রামের মইনুল ইসলামের ছেলে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা থেকে শাওনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে তার রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। দ্রুত উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে শিশুটির মৃত্যু হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শোকে স্তব্ধ স্বজন ও প্রতিবেশীরা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ জানায়, শিশুটির শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিন্টু দে জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে এবং কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
এদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং তদন্তের স্বার্থে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে ওই গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ভিওডি বাংরা/অলিউর রহমান মিরাজ/আ







