যে কারণে কালোবাজারে ট্রেনের টিকিট

মন্ত্রী বা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সদিচ্ছা থাকলেও টিকিট কালোবাজারি কেন থামছে না, কেন বন্ধ হচ্ছে না- তা পর্যালোচনা করেছে সরকার। রেলপথ মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে দেখেছে যে, অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগে কালোবাজারি চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। অনলাইন টিকিটিং সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতাই এই কালোবাজারি বা অব্যবস্থাপনার মূলে- এমনটাই আপাতত মনে করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় বৈঠকও হয়েছে একাধিক।
অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থার দুর্বলতা সরকারের নজরে এসেছে বলে স্বীকার করেছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন পরিদর্শনে এসে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থার দুর্বলতা সরকারের নজরে এসেছে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ক্ষেত্রে টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং পরে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠছে।’এ অব্যবস্থাপনাকেই একটি মহল সুযোগ হিসেবে নিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘কানেকটিং ট্রেনগুলোর যে জায়গায় দুর্বলতা আছে, সেগুলো দূর করার জন্য আমরা বলছি। আমরা যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলছি। নরমাল যে ট্রেন যাতায়াত করছে, সেগুলো আমরা ঠিক দেখছি। যাত্রীদের অভিযোগ, কানেকটিং ট্রেনগুলো দেরি হচ্ছে। এ জায়গার ত্রুটিগুলো যাতে দূর করা যায়, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামের পাহাড়িকা ও বিজয় এক্সপ্রেসের যে বিলম্ব হচ্ছে, সেই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছি। সমস্যা দূর করার জন্য, যাত্রীদের ভোগান্তির সমস্যা কমানোর জন্য আমরা নির্দেশনা দিয়েছি।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘টিকিটিং ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে সফটওয়্যার উন্নয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে কোনোভাবেই কালোবাজারি বা অনিয়মের সুযোগ না থাকে এবং যাত্রীরা সহজে ও নির্ভরযোগ্যভাবে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আপাতত তিনটি ট্রেনে পরীক্ষামূলকভাবে ওয়াইফাই সেবা চালুর বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান বলেন, এটি সফল হলে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ট্রেনেও চালু করা হবে।
ভিওডি বাংলা/আরআর







