• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
উদ্ধার অভিযানের ২ ঘন্টায় ৪ মরদেহ, বাস থেকে বের হতে পারেন মাত্র ৫-৭ জন ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মায় যাত্রীবাহী বাস, বহু হতাহতের আশঙ্কা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামের বয়ানে ২৫ মার্চের অপ্রকাশিত গল্প দায়িত্বে অবহেলার কথা অকপটে স্বীকার করলো গেটম্যান হেলাল স্বাধীনতা দিবসের  স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ৭ দিনে ঈদে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২০৪ জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভা মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের ঢল পাবনায় চারদিনের সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

নিউইয়র্ক টাইমসের দাবি

ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত রাখতে সৌদি আরবের প্রভাবশালী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন। তার যুক্তি, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে রূপ দিতে এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে।

সূত্র জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিক আলাপচারিতায় যুবরাজ ট্রাম্পকে বলেছেন, “ইরানের কট্টরপন্থী সরকারের পতন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।” তিনি যুক্তি দিয়েছেন, ইরান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি হিসেবে বিবেচিত, যা কেবল বর্তমান সরকারের পতনের মাধ্যমে মোকাবেলা করা সম্ভব।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ইরানকে দীর্ঘমেয়াদী হুমকি হিসেবে দেখেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সম্ভবত একটি অকার্যকর বা ব্যর্থ ইরান রাষ্ট্রকে তাদের জন্য বিজয় হিসেবে দেখবেন, কারণ অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলায় লিপ্ত থাকলে দেশটি ইসরায়েলের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারবে না। অন্যদিকে, সৌদি আরব ইরানের ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়াকে সরাসরি নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখছে।

তবে সৌদি ও মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ইরান সৌদি তেল স্থাপনাগুলোতে আরও বিধ্বংসী হামলা চালাতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্তহীন যুদ্ধে আটকে পড়তে পারে।

এদিকে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান দোদুল্যমান। কখনো তিনি যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত দেন, আবার কখনো আরও তীব্র করার আভাস দিয়েছেন। গত সোমবার প্রেসিডেন্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, তার প্রশাসন এবং ইরানের মধ্যে “শত্রুতা সম্পূর্ণ নিরসনের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা” হয়েছে, যদিও ইরান এই ধরনের কোনও আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে।

সৌদি আরবের অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর এই যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যেই বড়। ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলাগুলো তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

যদিও যুবরাজ মোহাম্মদ যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার জন্য চাপ দিচ্ছেন—এমন অভিযোগ সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, “সৌদি আরব সব সময় শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ছিল, এমনকি সংঘাত শুরু হওয়ার আগেও।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো জনগণ ও বেসামরিক অবকাঠামোকে প্রতিদিনের হামলা থেকে রক্ষা করা। ইরান বিপজ্জনক যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছে, যা প্রতিটি পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, কিন্তু সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নিজেই।”

সূত্র জানিয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ তেহরানের সরকারকে দুর্বল করতে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালানোর জন্য প্রেসিং চালাচ্ছেন, যদিও মাঝে মাঝে ট্রাম্প যুদ্ধ থামানোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।

ভিওডি বাংলা/এমএস 


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ বাঘের
ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ বাঘের
পূর্ণাঙ্গ বিজয় না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: ইরান
পূর্ণাঙ্গ বিজয় না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: ইরান
ফয়সাল ও আলমগীরকে দিল্লিতে নিয়ে গেছে এনআইএ
ফয়সাল ও আলমগীরকে দিল্লিতে নিয়ে গেছে এনআইএ