• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
উদ্ধার অভিযানের ২ ঘন্টায় ৪ মরদেহ, বাস থেকে বের হতে পারেন মাত্র ৫-৭ জন ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মায় যাত্রীবাহী বাস, বহু হতাহতের আশঙ্কা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামের বয়ানে ২৫ মার্চের অপ্রকাশিত গল্প দায়িত্বে অবহেলার কথা অকপটে স্বীকার করলো গেটম্যান হেলাল স্বাধীনতা দিবসের  স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ৭ দিনে ঈদে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২০৪ জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভা মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের ঢল পাবনায় চারদিনের সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

সারা দেশে ৭ দিনে ঈদে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ পি.এম.
ঈদে দেশের বিভিন্ন সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা-ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সাতদিনের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। তবে সরকারি ও বেসরকারি তথ্যের মধ্যে বড় তফাৎ দেখা গেছে, যা তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। 

বুধবার (২৫ মার্চ) সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) জানিয়েছে, ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে ৯২টি দুর্ঘটনায় ১০০ জন নিহত এবং ২১৭ জন আহত হয়েছেন। তবে বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, একই সময়ে অন্তত ২৬৮টি দুর্ঘটনায় ২০৪ জন নিহত এবং ছয় শতাধিক আহত হয়েছেন।

সরকারি তথ্যে অনেক দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত হয়নি। উদাহরণ হিসেবে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত একটি ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছেন, যা সরকারি তালিকায় দেখা যায়নি। বিআরটিএর ২১ মার্চ ২৪ ঘণ্টার রিপোর্টে কুমিল্লার কোনো নামই ছিল না।

ঈদের ছুটিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ঈদের আগের রাত থেকে পরদিন বিকেল পর্যন্ত ১৫১ জন আহত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। অন্যান্য হাসপাতালেও একই চিত্র দেখা গেছে। অধিকাংশ আহত হয়েছেন মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক দুর্ঘটনায়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঈদযাত্রা সাধারণত ১৫ দিন ধরে বিবেচনা করা হয়—ঈদের আগে সাত দিন, ঈদের দিন এবং পরে সাত দিন। গত বছর এই সময়ে ৩১৫টি দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত হন। ২০২৪ সালে একই সময়ে ৩৭২টি দুর্ঘটনায় ৪১৬ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, যা এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বিআরটিএর দৈনিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৭ মার্চ ১২টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। ১৮ মার্চ ১৮টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১৩ জন এবং আহত হন ৬২ জন। ১৯ মার্চ ১১টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ৭ জন আহত হয়েছেন। ২০ মার্চ ছয়টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হয়েছেন। ২১ মার্চ ১৭টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন। ২২ মার্চ ১৯টি দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ ৩২ জন নিহত ও ৬০ জন আহত হয়েছেন। আর ২৩ মার্চ ৯টি দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে তা প্রাথমিক। ছুটি শেষে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা হলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এবারের ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হতে পারে।

ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার সময় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী। কারণ, এই সময়ে সড়কে নজরদারি ও আইন প্রয়োগ তুলনামূলকভাবে কমে যায়।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ন্যায়বিচারে বাধা দেবো না: নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল
ন্যায়বিচারে বাধা দেবো না: নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
এবার দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে জেনারেল মাসুদকে
এবার দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে জেনারেল মাসুদকে