• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
উদ্ধার অভিযানের ২ ঘন্টায় ৪ মরদেহ, বাস থেকে বের হতে পারেন মাত্র ৫-৭ জন ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মায় যাত্রীবাহী বাস, বহু হতাহতের আশঙ্কা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামের বয়ানে ২৫ মার্চের অপ্রকাশিত গল্প দায়িত্বে অবহেলার কথা অকপটে স্বীকার করলো গেটম্যান হেলাল স্বাধীনতা দিবসের  স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ৭ দিনে ঈদে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২০৪ জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভা মার্কিন ফার্স্ট লেডির আমন্ত্রণে ভাষণ দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের ঢল পাবনায় চারদিনের সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

আমাদের সম্পাদক একজন মুক্তিযোদ্ধা, আমরা গর্বিত

রেজাউল করিম হীরা    ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২:০১ এ.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা গ্রাফিক্স

আমাদের জন্য গর্বের বিষয়—আমাদের সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুস সালাম একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি শুধু গণমাধ্যমের একজন কর্ণধার নন, তিনি সেই প্রজন্মের প্রতিনিধি- যারা নিজের জীবন বাজি রেখে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-এর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন তিনি ছিলেন একজন স্কুলছাত্র। কিন্তু বয়স তার দেশপ্রেমকে থামাতে পারেনি। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেন। সেই সময়ের ত্যাগ, সংগ্রাম এবং সাহসিকতার অভিজ্ঞতা আজও তার জীবনদর্শনকে প্রভাবিত করে।

স্বাধীনতার মহান স্মৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের মধ্যে ‘ভিওডিবাংলা ডটকম’ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুস সালাম এক অনন্য স্থাপত্য। তিনি শুধু একজন সাংবাদিক বা প্রশাসক নন; তিনি সেই প্রজন্মের একজন বীর, যারা ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ‑এ স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। বর্তমান সময়ে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের- ডিএসসিসি প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তার নেতৃত্বে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

১৯৭১ সালে স্কুলছাত্র অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা আবদুস সালামের বয়স ছোট হলেও সাহস ও দেশপ্রেম ছিল অপরিসীম। স্বাধীনতার জন্য যে আত্মত্যাগ ও ত্যাগ স্বরূপ কাজের প্রয়োজন, সেই আদর্শ আজও তার জীবনদর্শন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়। তার নেতৃত্বে ডিএসসিসি’র প্রতিটি উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে তার উদ্যোগ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দিনভর তিনি এবং তার অফিস মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করেন। এতে ছিল আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান। অনুষ্ঠানটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একটি শিক্ষণীয় প্রক্রিয়া, যেখানে তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্বাধীনতার চেতনাকে সজীবভাবে তুলে ধরা হয়।

এছাড়া গত রমজান মাসে তিনি ডিএসসিসি কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। সেই অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন যে, যদি কোনো মুক্তিযোদ্ধা অসহায়, অসুস্থ বা দুস্থ অবস্থায় থাকে, তবে তাদের সহায়তার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই উদ্যোগ শুধু মানবিকতা নয়, বরং একটি প্রমাণ যে দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের সবার।

প্রশাসক হিসেবে আবদুস সালাম শুধু আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করছেন না; তিনি সমাজের দুর্বল ও অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন। তার এই মানবিক ও দায়িত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি দেশের সকল নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।

একজন সম্পাদক হিসেবে তিনি ভিওডি বাংলার সাংবাদিকদের সত্য ও ন্যায়পথে কাজ করতে প্রেরণা দিচ্ছেন। তার নেতৃত্বে মিডিয়া প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনে সক্ষম হয়েছে। সাংবাদিকতার মান, নৈতিকতা ও সততা বজায় রাখতে তার দিকনির্দেশনা নিউজরুমের প্রতিটি সদস্যের জন্য একটি দিকনির্দেশক।

আজকের প্রজন্ম অনেক সময় মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন মনে হয়। কিন্তু আমাদের সম্পাদক সেই ইতিহাসকে জীবন্ত রাখছেন। তার আদর্শ ও ত্যাগ তরুণ প্রজন্মকে স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দিচ্ছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, একজন সাংবাদিক ও প্রশাসক একসাথে সমাজ ও দেশ গঠনে কীভাবে অবদান রাখতে পারেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা শুধু অতীতের ইতিহাস নয়; এটি আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের দায়িত্ব। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মৃতিতে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের উচিত প্রতিদিন দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করা। আবদুস সালামের নেতৃত্ব এই চেতনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

ডিএসসিসির অধীনে তার বিভিন্ন উদ্যোগ যেমন—নাগরিক সেবা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কার্যক্রম, সামাজিক কল্যাণ প্রকল্প এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ—সবই তার দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের প্রমাণ। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে সততা, ন্যায় ও মানবিকতার উদাহরণ স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি সাংবাদিকতা ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় স্থাপন করেছেন। তার জন্য প্রতিটি সংবাদ শুধুই তথ্য নয়; এটি জনগণকে জানানো, শিক্ষিত করা এবং ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। তার নেতৃত্বে নিউজরুমের প্রতিটি সদস্য আরও দায়িত্বশীল, সতর্ক ও পেশাদার হয়ে উঠছে।

আমরা গর্বিত—আমাদের সম্পাদক একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার মতো নেতার কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদেরও দায়িত্ব নেওয়া উচিত—দেশের উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ এবং স্বপ্নের একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার।

এই মহান স্বাধীনতা দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞা করি—শহীদদের আত্মত্যাগ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে কাজ করব এবং স্বাধীনতার শপথ বাঁচিয়ে রাখব।

লেখক: এ্যাকটিং হেড অব নিউজ, ভিওডি বাংলা

ভিওডি বাংলা/আরআর


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যেখানে মেধার চেয়ে চাটুকারিতা গুরুত্ব পায়
যেখানে মেধার চেয়ে চাটুকারিতা গুরুত্ব পায়
মাটিতে আড়াল হয়ে হৃদয়ে ঠাঁই নিয়েছেন দেশনেত্রী
মাটিতে আড়াল হয়ে হৃদয়ে ঠাঁই নিয়েছেন দেশনেত্রী
খালেদা জিয়ার মৃত্যু একটি যুগের সমাপ্তি
খালেদা জিয়ার মৃত্যু একটি যুগের সমাপ্তি