যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া আল্টিমেটামকে ‘অসহায় ও দিশাহারা’ বলে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটি বলছে, হুমকি দিয়ে তাদের অবস্থান বদলানো যাবে না।
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর দেওয়া আল্টিমেটামকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ এই হুমকিকে ‘অসহায়, দিশাহারা ও ভারসাম্যহীন’ আচরণ বলে আখ্যা দিয়েছে।
ইরানে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর পর থেকে গত ৩ মার্চ হতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। বিশেষ করে তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও চাপ তৈরি হয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া অথবা নতুন চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেন ট্রাম্প। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরও কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প লেখেন, “সময় প্রায় শেষ। আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি। এরপর পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে।”
তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান চুক্তিতে না এলে কিংবা হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আম্বিয়া । এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলি আবদুল্লাহিল আলিয়াবাদি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই ধরনের বক্তব্য বাস্তবতা বিবর্জিত এবং তা তাদের কৌশলগত দুর্বলতারই প্রতিফলন।”
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি আরও জটিল ও কঠোর দিকে মোড় নিতে পারে।
ভিওডি বাংলা/জা









মন্তব্য