• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ডিএসসিসিতে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

   ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৯ পি.এম.
ডিএসসিসিতে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত।ছবি: ভিওডি বাংলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পর্যালোচনার জন্য বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মনিটরিং টীমের কার্যক্রম, অর্জিত ফলাফল এবং বর্ষার মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি কমানোর পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সোমবার (৬ এপ্রিল) নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা সভা কক্ষে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র মশক নিধন নয়। বর্ষার মৌসুমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। এজন্য সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে এবং কোনো ধরনের শিথিলতা বা অবহেলা আমরা মেনে নেব না। আমাদের টীমকে প্রতিটি এলাকায় নজরদারি বাড়াতে হবে, এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জাম দ্রুত সরবরাহ করতে হবে। নগরবাসীর স্বাস্থ্যই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি আরও বলেন, ডিএসসিসি মনিটরিং টীমের প্রতিটি সদস্যকে তাদের এলাকার মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কার্যক্রমে কোনো দেরি বা ঘাটতি থাকতে পারে না। আমরা প্রত্যেকে আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে, নগরবাসী স্বাভাবিক, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে জীবনযাপন করতে পারবে।

সভায় বিভাগীয় প্রধানরা তাদের কাজের অগ্রগতি, এলাকায় যে সব সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এবং প্রয়োজনীয় সমাধানের প্রস্তাব তুলে ধরেন। তারা বিস্তারিতভাবে জানান কোন এলাকায় অতিরিক্ত মনিটরিং দরকার, কোথায় মশক নিধন সামগ্রী সরবরাহ করতে হবে এবং কোন স্থানগুলোতে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

সভায় মশক নিয়ন্ত্রণে গঠিত মনিটরিং টীমের গতিশীল কার্যক্রম, অর্জিত ফলাফল এবং ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় টীমের অবদান এবং কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

এছাড়াও সভায় ডিএসসিসির কর্মকর্তারা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কোন কোন অঞ্চল রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং কোনগুলো মাঝারি রেড জোন হিসেবে আছে। তারা জানান, এই জোনগুলোতে মশকজনিত রোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

কর্মকর্তারা আলোচনা করেন, কিভাবে এই অঞ্চলগুলোকে পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক বা নিরাপদ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। এতে রয়েছে কার্যকর মনিটরিং, মশক নিধন কর্মসূচি, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয়মূলক উদ্যোগ।

ডিএসসিসির কর্মকর্তারা সভায় প্রস্তাব দেন, প্রতিটি রেড ও মাঝারি রেড জোনে বিশেষ নজরদারি এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মুক্ত নগর নিশ্চিত করা সম্ভব।

এদিকে ডিএসসিসি প্রশাসক সভায় অংশগ্রহণকারীদের বর্ষার মৌসুমে কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে এবং ঢাকা দক্ষিণকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ামুক্ত নগর হিসেবে গড়ে তুলার নির্দেশনা দেন।

ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
অধ্যাদেশ বাতিল ও স্থগিতের প্রতিবাদে নাগরিক সংলাপ
অধ্যাদেশ বাতিল ও স্থগিতের প্রতিবাদে নাগরিক সংলাপ
এমপিদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী
এমপিদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী
সায়দাবাদে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ
সায়দাবাদে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ