সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে: জ্বালানি মন্ত্রী

দেশে জ্বালানি তেলের কোন সংকট নেই। সরবরাহও পর্যাপ্ত। বর্তমানে ১ লাখ ৭৫ হাজার টন ডিজেল ও অকটেন মজুত আছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দশম দিনের অধিবেশনে মৌলভীবাজার–২ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ টন ডিজেল মজুত আছে। আরও এক লাখ ৩৮ হাজার টন আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আসবে। অকটেন মজুত আছে ১০ হাজার ৫০০ টন। ৭১ হাজার ৫৪৩ টন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আসবে। পেট্রল’ ১৬ হাজার টন মজুত আছে। আরও ৩৬ হাজার টন ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আসবে বলেও জানান তিনি।
দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশ জ্বালানি তেলের সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান ৫০ শতাংশ দাম বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কা রেশনিং ও কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিয়েছে। ভারত, আফগানিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ ও নেপাল এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ দাম বাড়ায়নি।
‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়লেও দেশে শিল্প কার্যক্রম, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার কথা বিবেচনা করে সরকার এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে।’ উল্লেখ করেন জ্বালানি মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সেচ মৌসুমে কৃষকদের ডিজেল পাওয়া নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য সব জেলা প্রশাসনকে সরকার নির্দেশনা দিয়েছে।’
ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ







