• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার এইচএসসি পরীক্ষায় এআই ব্যবহার করে নকল, পরীক্ষার্থী বহিষ্কার রাজধানীতে যুবদল কর্মী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের তাণ্ডব, নিহত অন্তত ৩০ জাতীয় অধ্যাপক হলেন শিক্ষাবিদ মাহবুব উল্লাহ

২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেন মহাসচিব

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ:  ৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৮ এ.এম.
শেয়ার করুন 0
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস-ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস-ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযম দেখানো ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে মহাসচিব গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান সংঘাতে জড়িত সব পক্ষের উচিত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতির শর্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পথ সুগম হতে পারে বলে মনে করছে জাতিসংঘ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর আকস্মিক সামরিক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। পরবর্তীতে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালায়। এতে করে পুরো অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করে।

টানা সংঘর্ষের ফলে পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতির দিকে যায়। বিশেষ করে, ইরান গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় এবং এর প্রভাব পড়ে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে।

পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে কিছু দেশের পণ্যবাহী জাহাজকে সীমিতভাবে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, তাদের শর্ত পূরণ না হলে প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধই থাকবে।

এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাল্টাপাল্টি শর্ত ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: রয়টার্স
ট্রাম্পের হামলা স্থগিত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবর উড়িয়ে দিল ইরান
ছবি : সংগৃহিত
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সম্ভাবনায় কমলো তেলের দাম
ছবি: সংগৃহীত
বার্লিন প্রাইড শোভাযাত্রায় হামলার সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত