{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১, আট রুশ নাগরিকসহ আহত ১২ ‘পাশেই জাহাজ ডুবছিল, মাথার ওপর উড়ছিল ক্ষেপণাস্ত্র’ ভিওডি বাংলায় সংবাদ প্রকাশের পর র‍্যাবের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ২ পুলিশে বড় রদবদল, ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন ভাঙারি ব্যবসায়ী হত্যা: মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ২ রাজধানীতে চলন্ত ট্রেন থেকে পা পিছলে যুবকের মৃত্যুু প্রশাসকদের আন্তরিকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে গতি এসেছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে যুদ্ধে প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত: পেন্টাগন জেল খাটাকালীনও মডেলিংয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণীদের ধর্ষণ মানবিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি, আনসার সদস্যকে মহাপরিচালকের সম্মাননা

‘ব্যাংক খাতের সংকট নিরসনে প্রয়োজন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত’

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৬ মে ২০২৬, ০৫:০১ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ব্র্যাক চেয়ারপার্সন হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক প্রভাব আছে। ব্যাংক খাতের চলমান সংকট না কাটলে অর্থনীতির ধস ঠেকানো যাবে না। এজন্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘দেশের ব্যাংকিং খাতের বিপর্যয়; প্রেক্ষিত ইসলামী ব্যাংকিং খাত: জাতীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন তিনি। সেমিনারে বক্তাদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যাংক খাতের লুটেরাদের ছবি জাদুঘরে প্রদর্শনের প্রস্তাব করেন।

হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, অর্থনীতির পরিস্থিতি নিয়ে অনেকে অনেক রকম মন্তব্য করেন। তবে ছয়টি বিষয়ে সবাই একমত। এর টেকসই সমাধান করতে হবে।

ছয়টি সমস্যার মধ্যে রয়েছে- ১. অর্থনীতিতে বিপর্যয় হয়েছে; ২. কলুষিত নীতি প্রক্রিয়া অর্থনীতির সংকট ত্বরান্বিত করেছে, যা এখনো চলছে; ৩. আমানতকারীরা নীরবে দুঃখকষ্ট ভোগ করছেন; ৪. অর্থনীতি স্থবির অবস্থায় আছে, চাকা সচল হয়নি, বিনিয়োগ নেই, বেকারত্ব বাড়ছে; ৫. দেশের বড় পরিবর্তনের সংকট সমাধানের সুযোগ হিসেবে এসেছে; ৬. এই সংকটের টেকসই সমাধান প্রয়োজন, নৈতিকতার মানদণ্ডে যা উচ্চ পর্যায়ে থাকতে হবে।

তিনি বলেন, অনেকেই ব্যাংক থেকে জমানো টাকা তুলতে পারছে না। এর সমাধান করতে হবে। গ্রাহক স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ নিয়ে কাজ করছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি নৈতিকতার মানদণ্ডে দাঁড়াতে পারছে কি না, তাও দেখতে হবে। সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন খুবই জরুরি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, বেকারত্ব সমস্যার সমাধান না হলে সমাজে অন্য সমস্যা ছড়িয়ে পড়বে। এজন্য সংকট সমাধানে নৈতিকভাবে উচ্চ স্থানে যেতে হবে। পেশাদারি ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে টেকসই সমাধান করতে হবে।

সেমিনারে ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক মঈনউদ্দীন বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া ব্যাংক খাত ঠিক হবে না। কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যাংকগুলোতে যে লুটপাট হয়েছে, তার হিসাব পৃথক করে ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে যেতে হবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ব্যাংক খাত হলো অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি। এই খাতে লুট হলে অর্থনীতিতে বিপর্যয় হয়, এখন তাই হয়েছে। এখন ব্যাংক দখল নিয়ে যা বের হচ্ছে, তা দিয়ে থ্রিলার সিনেমা হতে পারে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি দখল করা ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। এখন অনেক ব্যাংকে টাকা তোলার লাইন পড়েছে। আমি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংক পুনর্গঠনপ্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে। পাশাপাশি নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের নতুন ধারা বাতিল করতে হবে।

সেমিনারে ইসলামী ব্যাংকের কয়েকজন গ্রাহক ও পেশাজীবী বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক দখল করা হয়েছিল। সেজন্য আগে থেকেই পরিবেশ তৈরি করা হয়। তখন সবাই চুপ ছিল। ২ শতাংশ শেয়ার থাকলেই একটি ব্যাংক দখল করা যায়, এটি কেমন সুযোগ। তখন গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা নিয়ে সরকারের বিবৃতি দেওয়ার প্রয়োজন। ইসলামী ব্যাংকে আবার কিছু হলে আর কখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না; এবার গ্রাহকরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।

ভিওডি বাংলা/এফএ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
ইলেকট্রিক বাস কিনতে ৪শ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি
ছবি: সংগৃহীত
আটাব নির্বাচন: দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাল গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইইউ ও জি৭৭ প্রতিনিধিদের পৃথক বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের পাশে থাকাবে ইইউ ও জি৭৭