ঈদযাত্রায় নিরাপত্তায় মাঠে র্যাব-১০, ড্রোন নজরদারি ও কন্ট্রোল রুম চালু

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাত্রা, পশুর হাটে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রাজধানীতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র্যাব-১০। বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশন ও পশুর হাটকেন্দ্রিক অপরাধ ঠেকাতে মাঠে সক্রিয় রয়েছে সংস্থাটির সদস্যরা।
র্যাব জানিয়েছে, “বাংলাদেশ আমার অহংকার” স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাহিনীটি দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রোবাস্ট পেট্রোল, সাদা পোশাকে নজরদারি, ফুট পেট্রোল ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।
ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীচাপ বেড়েছে। এ সময় চুরি, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও প্রতারক চক্রের তৎপরতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে র্যাব। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট স্থাপন, কন্ট্রোল রুম চালু এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও বুড়িগঙ্গা নদী এলাকায় র্যাব-১০ এর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। পাশাপাশি সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল ও গোয়ালন্দ ফেরিঘাটে পৃথক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।
পশুর হাটকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে র্যাব। চাঁদাবাজি, জাল টাকা, ছিনতাই ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ ঠেকাতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিসহ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পশুর হাটগুলোতে মেশিনের মাধ্যমে জাল টাকা শনাক্তের কার্যক্রমও চলছে।
র্যাব জানিয়েছে, এক হাটের পশু জোরপূর্বক অন্য হাটে নেওয়ার চেষ্টা কিংবা পশুর হাট ও টার্মিনালে চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিরাপদ ভ্রমণের স্বার্থে যাত্রীদের বাসের ছাদ, ট্রেনের ছাদ, বাফার, পাদানি কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ থেকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
অনলাইনে পশু কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভেরিফায়েড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার, বিক্রেতার পরিচয় ও পশুর স্বাস্থ্য সনদ যাচাই এবং নিরাপদ লেনদেনের পরামর্শ দিয়েছে র্যাব-১০।
এছাড়া পশুর হাট, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাট এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে র্যাব-১০ এর কন্ট্রোল রুমে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে যাত্রীদের।
ভিওডি বাংলা/এসআর






