ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়ন, মামা কারাগারে

আপন বোনের মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণের পর ঢাকার গুলশানের ইসতি মেডিকেল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফয়সালের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।
জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ফয়সালকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে দাবি করে যে কোনো শর্তে জামিন চান তার আইনজীবীরা।
অন্যদিকে, বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন।
শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ফয়সাল ভুক্তভোগীর আপন মামা। ২০২৫ সালের ২১ জুন তিনি নিজের বোনের মেয়েকে বাইরে ঘুরতে নিয়ে ধূমপান করানোর চেষ্টা করেন, যদিও তাতে রাজি হননি ভুক্তভোগী।
একই বছরের ২৪ জুন দুপুরে গুলশানের কনকর্ড সিলভি হাইটস ভবনে অবস্থিত ইসতি মেডিকেল বাংলাদেশের কার্যালয়ে ভুক্তভোগীকে দুপুরের খাবারের আমন্ত্রণ জানান ফয়সাল। সেখানে খাবারের পর আবারও ধূমপানের জন্য চাপ দেওয়া হয়।
ওইদিন রাতে গাড়িতে করে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার সময় আমেরিকান ক্লাব রোড এলাকায় গাড়ি চালানো শেখানোর কথা বলে যৌন নিপীড়ন করেন।
ঘটনার পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন ভুক্তভোগী। পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি হতে পারে আশঙ্কায় বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন রাখেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল বড় বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে ফয়সাল বাসায় এলে তাকে দেখে ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করেন ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন।
ভুক্তভোগীর বাবা গত ২৩ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন।
ভিওডি বাংলা/আরআর/এমএস








মন্তব্য