• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
খামেনির জানাজায় কূটনৈতিক বার্তা তেহরানের ক্যান্সারে আক্রান্ত হৃদয়ের পাশে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ডিএসসিসির অভিযানে উচ্ছেদ অবৈধ নার্সারি ও দোকান জুলাই-আগস্ট জুড়ে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা ইশরাকের পিজিআরের নিরাপত্তা কৌশলে জনগণ যেন বিচ্ছিন্ন বোধ না করে: প্রধানমন্ত্রী কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অভিজ্ঞ নেতাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: আবদুস সালাম পোল্যান্ড সীমান্তে ৯ বাংলাদেশিসহ ৫৪ অভিবাসী আটক সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষেধ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ

১৮ বছর নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান দুদুর

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পি.এম.
শামসুজ্জামান দুদু, আবদুস সালাম
ছবি: ভিওডি বাংলা

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের আন্দোলন–সংগ্রাম ও নির্যাতনের কারণে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্থিরতা থাকতেই পারে তবে বিএনপিকে ধৈর্য ধরতে হবে। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারকে দক্ষতা ও ধৈর্যের সঙ্গে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (৫ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের উদ্যোগে অসুস্থ তিন প্রবীণ নেতা—মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এবং জুলাই আগস্ট আন্দোলনের আহতদের আরোগ্য কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমাদের তিনজন প্রবীণ জননেতা মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান এবং ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া অসুস্থ ও চিকিৎসাধীন। তাঁদের আরোগ্য লাভের জন্য আপনারা আজকের দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। আমরা আপনাদের সঙ্গে শরিক হয়েছি। এ জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, বিএনপির ছোট–বড় নেতাকর্মীরা ১৮ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁদের প্রাপ্তির খাতা ছিল শূন্য। শুধু নেতাকর্মীরাই নন, তাঁদের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাঁদের চাকরি পাওয়ার কথা ছিল, শেখ হাসিনার আমলে তাঁরা সেই সুযোগ পাননি। এ কারণে এক ধরনের অস্থিরতা থাকতেই পারে। তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, শেখ হাসিনার আমলে যাঁরা অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, বর্তমান সরকার তাঁদের বিষয়ে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। তাঁর দাবি, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার। তাঁর মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই। অথচ এই পরিবারই সবচেয়ে বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে।’

ছাত্রদলের সাবেক এ সভাপতি বলেন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। দীর্ঘ আন্দোলন–সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি সেই নেতৃত্ব অর্জন করেছিলেন। একইভাবে ১৮ বছরের আন্দোলন–সংগ্রামের পর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন।

কৃষক দলের সাবেক এ আহ্বায়ক বলেন, অনেকে অনেক ধরনের জনপ্রিয়তার দাবি করেন। আমি কাউকে ছোট করছি না। কিন্তু দেশবাসী গণঅভ্যুত্থানের প্রধান শক্তি হিসেবে বিএনপিকেই গ্রহণ করেছে। কারণ, ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা বিএনপিকেই ভোট দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এক ১১ এর নির্যাতনে তারেক রহমান নিহতও হতে পারতেন, তবে আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করেছেন। আর বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, এমনকি চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি। তাঁর ভাষ্য, বাংলাদেশ এমন একটি হিংস্র নেতৃত্বের অধীনে ছিল। সেই বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে হবে।

সরকারকে দক্ষতা ও ধৈর্যের সঙ্গে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দুদু বলেন, একটি মহল বিভিন্ন স্থানের ছোটখাটো ঘটনাকে বড় ঘটনায় রূপ দিতে চায়। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

সাবেক এ সংসদ সদস্য বলেন, আমাদের নেতা মির্জা আব্বাস চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন। নজরুল ইসলাম খান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ রয়েছেন প্রবীণ নেতা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। তাঁদের লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। আমরা তাঁদের প্রতি সম্মান জানাব, আল্লাহর কাছে দোয়া করব। কারণ, তাঁরা তাঁদের জীবন উৎসর্গ করেছেন মানুষের জন্য, দেশের জন্য এবং গণতন্ত্রের জন্য।

তিনি বলেন, আজকের দোয়া অনুষ্ঠানে সবাই আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, যেন এই তিন নেতা দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার মানুষের সেবায় ও দলের কর্মকাণ্ডে ফিরে আসতে পারেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সালাউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন সরদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, কৃষক দলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এস কে সাদি, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

ভিওডি বাংলা/খতিব/এফএ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যা হারিয়েছেন তা কি ফিরে পাবেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর
যা হারিয়েছেন তা কি ফিরে পাবেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর
এনসিপির লোগো
এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ শুরু সোমবার
গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফুলবাড়িয়া