বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের নতুন শঙ্কা

অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার পানি পুরোপুরি নামার আগেই নতুন করে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের শঙ্কা তৈরি হয়েছে । চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে বুধবারও বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ উন্নতি অব্যাহত ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলো থেকে পানি আগের চেয়ে অনেকটাই কমে এসেছে। গ্রামীণ সড়কগুলো থেকে পানি সরে যাওয়ায় বাসা-বাড়িতে আটকে থাকা মানুষ কোথাও কোথাও বের হতে পারছেন। তাবে অনেক এলাকার সড়ক ও ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার সবগুলোতেই বন্যা দেখা দেয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী। সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর বেশিরভাগ এলাকায় ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। গত তিন দিন ধরে নতুন করে আর বৃষ্টি না হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।
এলাকাবাসী আনোয়ার জানান, তাদের এলাকায় যেসব স্থানে বুক সমান পানি ছিল, তা এখন হাঁটুর নিচে নেমে এসেছে। বাঁশখালীর বিপুলসংখ্যক মাটির ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেক ঘর একেবারে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।
বৃষ্টিপাতের পরিমাণের বিষয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, এই লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা কম। তবে এর প্রভাবে আগামী এক থেকে দুদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর বৃষ্টির প্রবণতা আবার কমে আসবে।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু








মন্তব্য