নিজে হারের দায় নিয়ে যা বললেন ইংল্যান্ড কোচ

বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে মাত্র পাঁচ মিনিট দূরে ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষ সাত মিনিটে দুই গোল হজম করে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে তারা।
ম্যাচের পর নিজের বদলি ও কৌশল নিয়ে ওঠা প্রশ্ন এড়িয়ে যাননি ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। পরাজয়ের দায় নিয়েছেন নিজের কাঁধে।
অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। এরপর ধীরে ধীরে রক্ষণে নেমে পড়ে দলটি। ৭২ মিনিটে গোলদাতা গর্ডনকে তুলে ডিফেন্ডার এজরি কনসাকে নামান টুখেল। পরবর্তী সময়ে রিস জেমস ও ডেকলান রাইসের বদলে নিকো ও’রাইলি এবং ড্যান বার্নকে নামানো হয়।
রক্ষণ শক্ত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি। ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরানোর পর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের গোলে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।
টুখেল অবশ্য দাবি করেছেন, বদলি নামানোর আগেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। একের পর এক ক্রস ও গোলের সুযোগ তৈরি করছিল আর্জেন্টিনা। পরিস্থিতি সামাল দিতেই তিনি পরিবর্তনগুলো করেছিলেন।
ইংল্যান্ড কোচ বলেন, ‘সিদ্ধান্ত আমাকেই নিতে হয়েছে, দায়ও আমার।’
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর অনেকেই ভিন্ন সিদ্ধান্তকে সঠিক মনে করবেন, সেটিও বুঝতে পারছেন টুখেল। তবে মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে ম্যাচের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেই তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল বলে জানান তিনি।
অধিনায়ক হ্যারি কেইনের কণ্ঠেও ছিল একই আক্ষেপ। তার মতে, ম্যাচের বেশির ভাগ সময় ভালো খেললেও এগিয়ে যাওয়ার পর আর দ্বিতীয় গোলের চেষ্টা করেনি ইংল্যান্ড।
কেইন বলেন, ‘১-০ হওয়ার পর আমরা শুধু ফল ধরে রাখতে চেয়েছি। এই পর্যায়ে তা যথেষ্ট নয়।’
দলের প্রত্যেকে সর্বশেষ শক্তিটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছেন বলে জানান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। তবে আরেকটি সেমিফাইনালে পৌঁছেও শেষ বাধা পার হতে না পারাকে হতাশাজনক বলছেন তিনি। কেইনের মতে, বড় প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত সাফল্য পেতে যে শেষ উপাদানটি প্রয়োজন, সেটিই এখনো খুঁজে পায়নি ইংল্যান্ড।
ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন। অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু








মন্তব্য