{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ইরানের সাথে যুদ্ধে প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা আহত: পেন্টাগন জেল খাটাকালীনও মডেলিংয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণীদের ধর্ষণ মানবিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি, আনসার সদস্যকে মহাপরিচালকের সম্মাননা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী মোদির বাড়ির সামনে থেকে রাহুল গান্ধী আটক সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচিতে সহযোগিতার আগ্রহ বিশ্বব্যাংকের মুগদায় বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৯ জন গ্রেপ্তার পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান খান ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে সহযোগিতার আগ্রহ ডব্লিউএফপির একনেকে উঠছে ২,০৮২ কোটি টাকার কর্মসংস্থান প্রকল্প’

স্বামীর কর্মস্থলে স্ত্রীর অভিযোগ করা নিয়ে যা বলছে ভারতের আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৪ পি.এম.
ছবি: সংগৃহিত
ছবি: সংগৃহিত

বিবাহবিচ্ছেদ বা দাম্পত্য বিরোধের মামলায় স্বামীর কর্মস্থলে অভিযোগ পাঠানোর প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছেন, এ ধরনের অভিযোগের কারণে কারও চাকরি চলে যেতে পারে, যা শুধু তার জীবিকাকেই নয়, ভবিষ্যতে ভরণপোষণের দাবিকেও প্রভাবিত করতে পারে।

গত সপ্তাহে বিচারপতি বি.ভি. নাগারথ্না ও বিচারপতি আর. মহাদেবনের বেঞ্চে এক মামলার শুনানির সময় এ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

মামলাটি করেন এক নারী, যিনি তার বিরুদ্ধে আসামে দায়ের করা একটি মানহানির মামলা উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে স্থানান্তরের আবেদন জানান। তার দাবি ছিল, স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক মামলা ইতোমধ্যেই গাজিয়াবাদে বিচারাধীন থাকায় একই স্থানে মামলাটি স্থানান্তর করা হলে তা পরিচালনা করা সহজ হবে।

'চাকরি হারালে ভরণপোষণও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে'

শুনানির সময় বিচারপতি বি.ভি. নাগারথ্না বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক স্ত্রী দাম্পত্য বিরোধের জেরে স্বামীর নিয়োগকর্তার কাছে অভিযোগপত্র পাঠাচ্ছেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাকরি চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

তিনি মন্তব্য করেন, "বিবাহবিচ্ছেদ চাওয়া এক বিষয়, কিন্তু জীবন-জীবিকা কেড়ে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করা আরও গুরুতর বিষয়।"

বিচারপতির মতে, দাম্পত্য বিরোধ চলাকালে স্বামীর কর্মস্থলে অভিযোগ পাঠানো "সবচেয়ে খারাপ কাজগুলোর একটি", কারণ এতে তার চাকরি হারানোর আশঙ্কা থাকে। আর চাকরি না থাকলে ভবিষ্যতে ভরণপোষণের প্রশ্নও জটিল হয়ে পড়তে পারে।

কী নিয়ে এই মামলা?

আদালতে স্ত্রীর আইনজীবী জানান, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলাটি করেছেন স্বামীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী।

এই মামলার সূত্রপাত হয়, যখন ওই নারী দিল্লিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর (এয়ার ফোর্স) কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন যে, তার স্বামী যিনি বিমানবাহিনীর একজন কর্মকর্তা চাকরির নিয়ম ভঙ্গ করে ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

স্ত্রীর আইনজীবীর দাবি, এর আগে স্বামী তার মক্কেল ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিমানবাহিনীর একটি হেলমেট চুরির অভিযোগে মিথ্যা মামলা করেছিলেন। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই বিমানবাহিনীর কাছে অভিযোগ করা হয়েছিল, যাতে ওই সরঞ্জামের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, মানহানির মামলাটি স্বামী নয়, তার বন্ধু করেছেন।

মধ্যস্থতার নির্দেশ

মামলার শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট বিরোধ মীমাংসার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট মেডিয়েশন সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে বিচারপতি নাগারথ্না স্ত্রীর আইনজীবীকে পরামর্শ দেন, সব বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করতে এবং অভিযোগগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে তার মক্কেলকে পরামর্শ দিতে।

ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের এই পর্যবেক্ষণ দাম্পত্য বিরোধের মামলায় পক্ষগুলোর আচরণ এবং ব্যক্তিগত বিরোধে কর্মস্থলকে জড়িয়ে ফেলার প্রবণতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

ভিওডি বাংলা/এমএস 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহিত
ভারতের কাবেরী থেকে চীনের জে-২০: চার দশকের দৌড়ে কে এগিয়ে?
ছবি: সংগৃহিত
ক্যামেরায় ধরা পড়েনি দিল্লির যে গল্প
ছবি: সংগৃহীত
মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের বিক্ষোভ