• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo

কামরাঙ্গীরচরে ডাকাতি, লুণ্ঠিত টাকা-স্বর্ণালঙ্কারসহ গ্রেপ্তার ৪

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: ভিওডি বাংলা
ছবি: ভিওডি বাংলা

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের মাহদীনগর এলাকায় একটি ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জিয়াসমিন ওরফে জেসমিন (৩৭), মো. সজীব আলম (২৯), মো. রিপন মিয়া (৪২) এবং মো. ফারুক খান (৫০)। তাদের হেফাজত থেকে লুণ্ঠিত দুই লাখ ২০ হাজার টাকা, এক জোড়া স্বর্ণের দুল, এক জোড়া বালা, একটি ব্রেসলেট, এক জোড়া চুড়ি, এক জোড়া ঝুমকা এবং এক জোড়া পাশা উদ্ধার করা হয়েছে।

কামরাঙ্গীরচর থানা জানায়, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিট থেকে ৭টা ৫০ মিনিটের মধ্যে কামরাঙ্গীরচর থানার মাহদীনগর এলাকার রক্সি গলির পাশে একটি ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলায় চাঞ্চল্যকর এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বাসা দেখার কথা বলে পাঁচজন ডাকাত একটি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে সেখানে থাকা তিন নারীকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে নগদ প্রায় ২০ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং চারটি মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।

ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে কামরাঙ্গীরচরের মুসলিমবাগ এলাকা থেকে মো. সজীব আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই এলাকার মো. রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রিপনের বাসার ওয়ারড্রোবের ড্রয়ার থেকে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

এরপর একই রাতে কামরাঙ্গীরচরের চাঁদ মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. ফারুক খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার ভাড়া করা বাসার শয়নকক্ষ থেকে নগদ এক লাখ টাকা এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পুলিশকে জানান, এই ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী একই ভবনের সপ্তম তলার বাসিন্দা জিয়াসমিন ওরফে জেসমিন। এ তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (২২ জুলাই) ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, জিয়াসমিনের ভুক্তভোগীর বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল। বাসায় নগদ টাকা থাকার বিষয়টি তিনি জানতেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। পরে পরিচিত কয়েকজনকে নিয়ে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন। ঘটনার দিন তিনি নিজেই ডাকাত দলের সদস্যদের ভবনের নিচতলায় গ্রহণ করেন এবং ডাকাতির পর তাদের নিরাপদে বের হয়ে যেতে সহায়তা করেন। ঘটনার পর আবারও তিনি ভুক্তভোগীদের বাসায় গিয়ে সান্ত্বনা দেন। এমনকি এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় নিজেই সাক্ষী হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মোট আটজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভিওডি বাংলা/এমএস 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: ভিওডি বাংলা
ভাঙারি ব্যবসায়ী হত্যা: মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ২
প্রতীকী ছবি
রাজধানীতে চলন্ত ট্রেন থেকে পা পিছলে যুবকের মৃত্যুু
ছবি: সংগৃহীত
প্রশাসকদের আন্তরিকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে গতি এসেছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী