• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo

দায়িত্বই যার প্রথম পরিচয়

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: ভিওডি বাংলা গ্রাফিক্স
ছবি: ভিওডি বাংলা গ্রাফিক্স

কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, রিমান্ডের নিষ্ঠুর নির্যাতন আর রাজপথের তপ্ত স্লোগান এই অধ্যায়গুলোর মধ্য দিয়েই কেটেছে শেখ রবিউল আলমের রাজনৈতিক জীবন। দীর্ঘ পথচলায় আন্দোলনের রাজপথ থেকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের আসনে পৌঁছালেও তাঁর পরিচয়ের কেন্দ্রে রয়েছে দায়িত্ববোধ এমনটিই মনে করেন জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের সভাপতি মাহফুজ কবির মুক্তা।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ভেরিফাই ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন মাহফুজ কবির মুক্তা।

তিনি বলেন, বিগত জাতীয় নির্বাচনে দিন-রাত এক করে লাগাতার পরিশ্রম করেছিলেন শেখ রবিউল আলম। সেই পরিশ্রমের প্রভাব পড়ে তাঁর শরীরে। বেশ কিছুদিন ধরেই তীব্র অসুস্থতা ভর করেছিল তাঁর ওপর। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতা দায়িত্ব পালনের গতি থামাতে পারেনি।

সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ফোরামে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ হয় তাঁর। সে সময় বেশ কয়েকটি দেশও ভ্রমণ করেন। তবে ঝকঝকে বিদেশি শহর কিংবা বিলাসী আয়োজন তাঁকে এক মুহূর্তের জন্যও মোহাবিষ্ট করতে পারেনি বলে উল্লেখ করেন মাহফুজ কবির মুক্তা।

বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে চার দেয়ালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বিশ্রাম না নিয়ে অসুস্থ শরীর নিয়েই তিনি সরাসরি নিজের দপ্তরে চলে যান। জনগণের সেবার যে আমানত তাঁর ওপর ন্যস্ত, সেটি রক্ষাকেই তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মাহফুজ কবির মুক্তা বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে একজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, তার বাইরে একটি সুতাও শেখ রবিউল আলম কখনো স্পর্শ করেননি। লোভ-লালসার এই সময়ে তিনি এক ব্যতিক্রম উদাহরণ।

দীর্ঘ ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কখনো বিরোধী দলের মিছিলে লাঠিচার্জের মুখে, আবার কখনো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেও সাধারণ মানুষের চৌকাঠে থেকেছেন শেখ রবিউল আলম। তাঁর সততা ও স্বচ্ছতার কারণেই জনগণ তাঁকে ভালোবেসে নির্বাচিত করেছে বলে মন্তব্য করেন মাহফুজ কবির মুক্তা। তাঁর ভাষায়, শেখ রবিউল আলম শুধু একজন নেতা নন; তিনি পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রতীক এবং পরিচ্ছন্ন সরকারের চালিকাশক্তি।

ক্ষমতার মোহ তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। অতীতের মতো বর্তমানেও তিনি জনগণের সঙ্গে আছেন এবং আমৃত্যু তাঁদের পাশেই থাকবেন বলেও মন্তব্য করেন।

মাহফুজ কবির মুক্তা আরও বলেন, শারীরিক অসুস্থতা যখন আশঙ্কাজনক রূপ নেয়, তখনও চিকিৎসার জন্য শেখ রবিউল আলম বিদেশমুখী হননি। নিজ দেশের মাটি ও দেশের চিকিৎসকদের ওপর আস্থা রেখে দেশেই চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। কারণ, বাংলাদেশ এবং এ দেশের মানুষই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসাস্থল।

ভিওডি বাংলা/বিন্দু


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহিত
ভারতের তরুণদের আন্দোলন কোথায় গিয়ে থামবে?
ছবি: সংগৃহিত
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে দায়িত্ব কার, কী বলছে সংবিধান
ছবি: সংগৃহীত
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: যে দুপুরে থেমে গিয়েছিল অসংখ্য ক্ষুদে স্বপ্ন