ফিফার রেকর্ড পুরস্কার, বিশ্বচ্যাম্পিয়নের ঝুলিতে ৬২২ কোটি

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব চলমান। আর কয়েকটি ম্যাচের পরই নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। এবারের আসরে শিরোপাজয়ী দলের জন্য থাকছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ আর্থিক পুরস্কার। শুধু চ্যাম্পিয়নই নয়, অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলও পাচ্ছে উল্লেখযোগ্য অর্থ। এমন তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
চলতি বিশ্বকাপের জন্য মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে) পুরস্কার তহবিল নির্ধারণ করেছে ফিফা। এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পুরস্কার তহবিল।
এর আগে ফিফা ৭২৭ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল, যা কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি ছিল। পরে চলতি বছরের এপ্রিলে অংশগ্রহণ ফি ও প্রস্তুতি ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মোট পুরস্কার তহবিল বেড়ে ৮৭১ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
ফিফা পুরস্কার অর্থকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছে। একটি পারফরম্যান্সভিত্তিক এবং অন্যটি অংশগ্রহণকারী সব দলের জন্য সমানভাবে বরাদ্দ।
পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার
দল যত এগিয়ে যাবে, তত বেশি অর্থ পাবে। ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার হলো
চ্যাম্পিয়ন: ৫১ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৬২২ কোটি টাকা
রানার্সআপ: ৩৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪১৫ কোটি টাকা
তৃতীয় স্থান: ৩০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৬৬ কোটি টাকা
চতুর্থ স্থান: ২৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪২ কোটি টাকা
পঞ্চম থেকে অষ্টম: ২০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা
নবম থেকে ষোড়শ: ১৬ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা
১৭তম থেকে ৩২তম: ১২ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা
৩৩তম থেকে ৪৮তম: ১০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২২ কোটি টাকা
এই খাতে মোট ৭০৩ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৮ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে।
অংশগ্রহণকারী সব দলের জন্য আলাদা বরাদ্দ
অবশিষ্ট ১৬৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২ হাজার ৫০ কোটি টাকা পারফরম্যান্সের বাইরে সব দলের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশ পাবে
প্রস্তুতি ভাতা: ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩০ দশমিক ৫ কোটি টাকা
অতিরিক্ত দলীয় অনুদান: ১৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি বা প্রায় ১৯৫ কোটির বেশি
ফলে শুধু বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্যই প্রতিটি দল ন্যূনতম ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা পাবে।
ফিফা জানিয়েছে, প্রস্তুতি ভাতা প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, স্কোয়াডের ভ্রমণসহ টুর্নামেন্ট-পূর্ব ব্যয় নির্বাহে সহায়তা করবে। আর অতিরিক্ত দলীয় অনুদান ব্যবহার করা হবে প্রতিনিধিদলের ব্যয়, ভ্রমণ, লজিস্টিকস, প্রশাসনিক খরচ এবং দলগুলোর জন্য বরাদ্দ টিকিট বৃদ্ধির মতো খাতে। এর লক্ষ্য অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক বৈষম্য কমানো।
সূত্র: বিবিসি
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য