• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে শেষ ধাপে সরকার এইচএসসি পরীক্ষায় এআই ব্যবহার করে নকল, পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

উপদেষ্টা মাহফুজের ডিলিট করা পোস্ট নিয়ে সমালোচনা


প্রকাশ:  ১২ মে ২০২৫, ১২:৪৪ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে চলছে তীব্র আলোচনা-সমালোনা।

রোববার (১১ মে) সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে তিনি পোস্টটি দেন। তবে পোস্টের মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় সেটি ডিলিট হয়ে যায়। পোস্টটি ডিলিট হয়ে গেলেও তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—একজন দায়িত্বশীল উপদেষ্টা কী এমন লিখলেন যে পরে তা মুছে দিতে হলো? জানতে আগ্রহ দেখা দিয়েছে অনেকেরই—তার পোস্টে কী ছিল?

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে করা ওই পোস্টে লিখেছিলেন—

“আমাকে নিয়ে নোংরামি করতেসো, ঝামেলা নাই। ফ্যামিলি টাইনো না, যুদ্ধাপরাধের সহযোগী রাজাকারেরা। এটা লাস্ট ওয়ার্নিং।
আর, যে চুপা শিবিররা এ সরকারে পদ বাগাইসো আর বিভিন্ন সুশীল ব্যানার খুলে পাকিস্তানপন্থা জারি রাখসো, তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষ রাজাকার আর দালালদের তুলনায় আরো অধিক ভুগবা।
যারা বিতর্কের এবং গালাগালির লিমিট জানে না, তাদের আমি সহনাগরিক মনে করিনা।
পাকিস্তানপন্থীরা যেখানেই থাকবে, সেখানেই আঘাত করা হবে। আমৃত্যু!
ঢাবিতে এ রাজাকারদের আগে ঠেকানো হবে, যারা এদের স্পেস দিসে তাদের জন্য গত পঞ্চাশ বছরের তুলনায় অধিক জিল্লতি অপেক্ষা করসে!”

ধারণা করা হচ্ছে, আগের একটি পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিতর্কিত পোস্টটি দেন মাহফুজ আলম। ওই পোস্টে তিনি যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।

ওই পোস্টে তিনি লেখেন—

১. ’৭১ এর প্রশ্ন মীমাংসা করতেই হবে। যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের ক্ষমা চাইতে হবে।
বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে পাকিস্তানপন্থা বাদ দিতে হবে। পাকিস্তান এদেশে গণহত্যা চালিয়েছে।
(পাকিস্তান অফিশিয়ালি ক্ষমা চাইলেও, তদুপরি আবারও ক্ষমা চাইতে রাজি হলেও, যুদ্ধাপরাধের সহযোগীরা এখনো ক্ষমা চায়নি।)
ইনিয়ে বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।
জুলাইয়ের শক্তির মধ্যে ঢুকে স্যাবোট্যাজ করা বন্ধ করতে হবে।
সাফ দিলে আসতে হবে...........................................”

পোস্টে তার বক্তব্যে ধারণা করা হচ্ছে, আগের পোস্টের পর তিনি কোনো এক পক্ষের সমালোচনার মুখে পড়েছেন, এমনকি তার পরিবার নিয়েও কথা উঠেছে। সেই প্রতিক্রিয়ায় ডিলিট হওয়া পোস্টে তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করেন।

তবে একজন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার এমন বক্তব্য কেউই স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। সামাজিক মাধ্যমে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই পোস্টটির স্ক্রিনশট নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, শেয়ার করছেন নানান ব্যঙ্গাত্মক ও সমালোচনামূলক ক্যাপশনসহ- যার অধিকাংশ প্রতিক্রিয়াই নেতিবাচক।

ভিওডি বাংলা/ডিআর


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক
ছবি: সংগৃহীত
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিমান বাহিনীর উদ্যোগে জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতি বিষয়ক সেমিনার
বিমান বাহিনীর উদ্যোগে জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতি বিষয়ক সেমিনার