• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

১৩ রানে হার বাংলাদেশের, সিরিজ জিতল জিম্বাবুয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক    ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। মাঠে তখন শেষ উইকেট জুটি। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ধরা পড়েন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাতেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের আশা। ১৩ রানের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় দল। ব্লেসিং মুজারাবানির বাউন্স সামলাতে গিয়ে ব্যাটের কানায় বল লাগান সৌম্য সরকার। স্লিপে সহজ ক্যাচ নিয়ে তাকে ফেরান ফিল্ডার। ১০ বলে ৫ রান করেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

সৌম্যর বিদায়ের পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে সেই জুটি বেশিক্ষণ টেকেনি। বল হাতে প্রথম ওভারেই সাফল্য পান ক্রেগ আরভিন। তার বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৬ বলে ৯ রান করে ফেরেন শান্ত।

এরপর ব্যাট হাতে দলের হাল ধরেন তানজিদ। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে তুলে নেন অর্ধশতক। তবে ৭০ বলে ৫৭ রান করে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। তার বিদায়ে ভাঙে ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

তানজিদের বিদায়ের পর তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান বাংলাদেশের আশা বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় ৯০ বলে ৬০ রান করে আউট হন হৃদয়। এরপর মোসাদ্দেক হোসেনও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। রিচার্ড এনগারাভার বলে মিড-অনে ব্লেসিং মুজারাবানির হাতে ক্যাচ দিয়ে ৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। কিন্তু এনগারাভার শর্ট বল ফাইন লেগের ওপর দিয়ে খেলতে গিয়ে বদলি ফিল্ডার রায়ান বার্লের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ৪১ বলে ৬টি চারে ৩৮ রান করেন সোহান।

শেষ দিকে মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৩ বলে ২৭ রান করে লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য স্পর্শ করতে ব্যর্থ হয়। তানজিদের অর্ধশতক ও কয়েকটি ছোট জুটি আশা জাগালেও জিম্বাবুয়ের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি টাইগাররা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের শুরুটাও ভালো হয়নি। নতুন বলে দারুণ বোলিং করেন তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই ডানহাতি পেসার। এরপর তৃতীয় ওভারে ইনোসেন্ট কাইয়াকেও সাজঘরের পথ দেখান তিনি।

তৃতীয় বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে নবম ওভারে উইকেট পান নাহিদ রানা। ৯ রান করা ক্রেগ আরভিনকে বোল্ড করেন এই গতিতারকা। পাঁচ নম্বরে নেমে ব্যর্থ হন ওয়েসলি মাদেভেরে। ৩০ বলে ১৫ রান করে আউট হলে ৬৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

দলের এমন বিপর্যয়ে হাল ধরেন সিকান্দার রাজা ও বেন কারান। তাদের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। তবে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি রাজা। ৩৩ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হন তিনি।

এরপর ক্লাইভ মাদান্দে দ্রুত ফিরলেও সপ্তম উইকেটে দুর্দান্ত জুটি গড়েন বেন কারান ও ব্র্যাড ইভান্স। কারান ১২২ বলে শতক পূর্ণ করেন। অন্যদিকে ইভান্স মাত্র ৩৬ বলে তুলে নেন অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত কারান অপরাজিত ১১১ এবং ইভান্স অপরাজিত ৫৮ রান করলে জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের সামনে লড়াই করার মতো লক্ষ্য দাঁড় করায়।

ভিওডি বাংলা/আ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
অপটার পূর্বাভাস: বিশ্বকাপ জয়ের দৌড়ে নতুন সমীকরণ
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে মিশরের রেকর্ড ১৮.৫ মিলিয়ন ডলার আয়
ছবি: সংগৃহীত
বিতর্কের মধ্যে অবশেষে মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি