রাষ্ট্রপতিকে সরাতে বিএনপির লাগল ১৫৮ দিন: এবি পার্টি
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীদারদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি পদে থাকা বিতর্কিত ব্যক্তির অপসারণ বা পদত্যাগ তারা চেয়েছিলেন। তবে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি শুরু থেকেই এ বিষয়ে সম্মত ছিল না বলে অভিযোগ করেন তারা। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তহীনতাকেও দায়ী করেন এবি পার্টির নেতারা।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বিএনপি বারবার সাংবিধানিক শূন্যতার বিষয়টি সামনে এনে এবং রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা তৈরি করেছে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও বিতর্কিত রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে সংসদে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ানোয় পুরো বিষয়টি আরও হাস্যকর হয়ে ওঠে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
এবি পার্টির নেতারা আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের মূল শেখ হাসিনা, তার চোর-লুটেরা মন্ত্রী পরিষদ, পদলেহনকারী চিফ জাস্টিস, পুলিশ বাহিনীর হোতাবৃন্দ, দালাল সাংবাদিকগণ, ব্যবসায়ীসহ প্রধান চরিত্রের বেশিরভাগ অংশকে বিতাড়িত করতে সংগ্রামী ছাত্র-জনতার লেগেছিল মাত্র ৩৬ দিন। কিন্তু ফ্যাসিবাদের অংশীদার পুতুল রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরাতে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী বিএনপির লেগেছে ১৫৮ দিন।
তারা বলেন, এর পেছনে কী উদ্দেশ্য কাজ করেছে, তা জনগণ বিবেচনা করবে। একই সঙ্গে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ব্যাংকের অর্থ লুটপাট ও পাচারসহ যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবি পার্টির নেতারা।
ভিওডি বাংলা/আ









মন্তব্য