ইরানের হুঁশিয়ারি
হরমুজের পাশাপাশি অন্যান্য বাণিজ্যপথও বন্ধ করে দেব

যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যের আরও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘আগ্রাসন’ বন্ধ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি অঞ্চলটির অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানির পথও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, এই সতর্কবার্তার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, বুধবার সকালে তারা ড্রোন, বিমান ও নৌবাহিনীর সমন্বয়ে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর আগে রাতভর প্রায় সাত ঘণ্টাব্যাপী আরেকটি সামরিক অভিযানও পরিচালনা করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি আলোচনায় ফিরে না আসে, তাহলে আগামী সপ্তাহে দেশটির সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে।
মঙ্গলবার রাতে সম্প্রচারিত ‘স্পেশাল রিপোর্ট উইথ ব্রেট বেয়ার’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে আমি শেষের জন্য রাখব। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা জ্বালানি অবকাঠামোতেও হামলা চালাব।’
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন এর আগে তিনি বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে হুমকি দিয়েছিলেন, সেটির পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ‘বৃহৎ’ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির দিকে এগোনো হবে।
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নতুন করে অবরোধ আরোপ করেছে। এর ফলে ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় জাহাজের যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এর জবাবে আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের স্বার্থে ব্যবহৃত অন্যান্য তেল ও গ্যাস রপ্তানির পথও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’ তবে কোন কোন পথ বন্ধ করা হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বাহিনীটি।
ভিওডি বাংলা/আর








মন্তব্য