• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৬ এ.এম.
চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ছবি: সংগৃহীত
চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। 

সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লব স্মরণে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শহীদদের স্মরণেই এ অনুষ্ঠান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি।’

সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। মঞ্চের ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা-৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত আছেন। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শহীদদের স্মরণে মোনাজাত করা হয়।

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে আয়োজিত এ স্মরণসভায় মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়েছেন। জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি এবং আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত সরকার উৎখাতের ঘটনায় রূপ নেয়।

৩৬ দিনের ওই আন্দোলনের পর ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে চলে যান টানা সাড়ে ১৫ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা।

শুরুতে আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পরে তা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে।

আন্দোলন দমনে সরকারের পক্ষ থেকে গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জসহ বলপ্রয়োগ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ফেসবুক এবং পরে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হলেও তাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।

১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তাঁকে আন্দোলনের ‘প্রথম শহীদ’ হিসেবে সম্মান জানানো হয়।

রক্তপাত শুরুর ২০ দিনের মাথায় আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন।

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে, সেখানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪। তবে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন।

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
স্বাধীন গণমাধ্যম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি ফরম পূরণ করেও পরীক্ষা দিতে না পারার খবরটি সত্য নয়
ছবি: সংগৃহীত
৪৮ ঘণ্টায় সারাদেশে পার্সেল পৌঁছে দেবে ডাক বিভাগ