নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্ব, ঐক্যের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে আসা তরুণ ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫–২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। রাজধানীর মিরপুরে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সুইমিং কমপ্লেক্সে সাঁতার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই পর্বের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, খেলাধুলা মানুষকে বিভাজনের নয়, বরং ঐক্যের পথে নিয়ে যায়। দল-মত নির্বিশেষে পুরো জাতিকে এক সুতোয় বাঁধতে এবং তরুণদের মাদক ও অতিরিক্ত মোবাইল নির্ভরতা থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়ার বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। এছাড়া অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম, মাহফুজুল আলম খান এবং বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে গত ১ মে সিলেট থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর কার্যক্রম শুরু হয়। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এখন জাতীয় পর্যায়ের সেরা প্রতিযোগীরা অংশ নিচ্ছেন চূড়ান্ত আসরে।
তিনি আরও বলেন, দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামার পর একজন খেলোয়াড়ের একমাত্র পরিচয় বাংলাদেশ। খেলাধুলা জাতীয় পরিচয়কে শক্তিশালী করে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তোলে। বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে মানুষের ব্যাপক আগ্রহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেই উদ্দীপনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের ফুটবলসহ অন্যান্য খেলার উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে হবে।
প্রতিযোগিতার পরিধি বাড়ানোর বিষয়েও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রথমে আটটি ইভেন্ট নিয়ে আয়োজন শুরু হলেও এবার ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হওয়ায় মোট ইভেন্টের সংখ্যা বেড়ে ১০টিতে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে আগামী আসরের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৫৮৯টি ইউনিয়ন এবং ৫০৩টি উপজেলা থেকে দল গঠন করে বছরজুড়ে এই প্রতিযোগিতা পরিচালিত হবে। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জন্য প্রস্তুত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় পর্যায়ের সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ভিওডি বাংলা/জা








মন্তব্য