স্বজনপ্রীতি নয়, যোগ্যদের মূল্যায়নের আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন এবং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, মন্ত্রী হওয়ার পর অনেক সময় নতুন আত্মীয়স্বজনের আনাগোনা বাড়ে, ফলে দীর্ঘদিনের ত্যাগী কর্মীরা উপেক্ষিত হন। তাই স্বজনপ্রীতি পরিহার করে যোগ্য ও প্রাপ্য ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে পঞ্চগড়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রী হওয়ার পর হঠাৎ অনেক আত্মীয়-স্বজনের আবির্ভাব ঘটে। এতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী কর্মীরা অনেক সময় দূরে সরে যায়। আত্মীয়কে নয়, যোগ্য ও প্রাপ্য মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে। স্বজনপ্রীতি থেকে বেরিয়ে এসে ত্যাগ স্বীকার করা কর্মী এবং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
সরকারি অনুদান বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারি অনুদান কোনো ব্যক্তি বা দলীয় পরিচয় বিবেচনা করে দেওয়া যাবে না। যিনি প্রকৃত অর্থে পাওয়ার যোগ্য, যাঁর প্রয়োজন রয়েছে, তাঁর কাছেই অনুদান পৌঁছে দিতে হবে। যদি দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করি, তাহলে আমরা আবারও অতীতের সেই ভুল ব্যবস্থায় ফিরে যাব।’
সরকারি ব্যয় সংকোচনের বিষয়েও বক্তব্য দেন ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, ‘সরকারি কাজে অপ্রয়োজনীয় খরচ, বিদেশ সফর ও নতুন গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও কঠোর নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে মিতব্যয়ী জীবনযাপন করেন পাশাপাশি সরকারি ব্যয় কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।’
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থী, গরিব-দুস্থ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন, শাড়ি এবং ব্লাড প্রেশার (বিপি) মেশিন বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক তৌহিদুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোসা. শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহেরুল ইসলাম কাচ্চুসহ অন্যান্যরা।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য