• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল দেশে চিকিৎসকের ঘাটতি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলো: শামা ওবায়েদ গাজী নজরুলের পদত্যাগ দাবিতে শ্যামনগরে ফের বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ ভারতের উপনির্বাচনে ফল গড়বে কি জেন-জি ভোটাররা? ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইউএনওপিএস প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ রাজিব শাহ’র সেই আস্তানা উচ্ছেদ করল ডিএসসিসি এসডিজি অর্জনে ৫ বছরে আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন আরও বড় অভিযানের হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর, আটক ৪০ ফিলিস্তিনি চাঁদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আনোয়ার বাবলু আর নেই

মুক্তি দিলেন ট্রাম্প, দেশে ফিরছেন হার্নান্দেজ

  ভিওডি বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ:  ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত
হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ। ছবি: সংগৃহীত

মাদক পাচারের মামলায় যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রত্যর্পণের চার বছর পর রোববার দেশে ফিরছেন হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ। দেশে ফিরে তাকে দুর্নীতির অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে। 

তবে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীদের আশঙ্কা, দেশের দুর্বল বিচারব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই বিচার কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। একসময় মাদকবিরোধী অভিযানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 

পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটররা অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি নিজেই মাদক পাচার চক্রকে সহযোগিতা করেছেন। আদালতে উপস্থাপিত নথিতে প্রসিকিউটরদের দাবি ছিল, হার্নান্দেজ একসময় বলেছিলেন, তিনি "মাদক যুক্তরাষ্ট্রের নাকের ডগায় পৌঁছে দেবেন।"

ক্ষমতা ছাড়ার কিছুদিনের মধ্যেই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়। সে সময় অনেক হন্ডুরাসবাসী এটিকে ন্যায়বিচারের একটি বিরল সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন। কারণ, তাদের ধারণা ছিল, দেশের বিচারব্যবস্থার ওপর হার্নান্দেজের দীর্ঘদিনের প্রভাবের কারণে হন্ডুরাসে তার বিরুদ্ধে কার্যকর বিচার সম্ভব হতো না।

যুক্তরাষ্ট্রের আদালত তাকে ৪৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে গত ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া রাষ্ট্রপতির ক্ষমার মাধ্যমে তিনি মুক্তি পান। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হার্নান্দেজ ন্যায়সঙ্গত বিচার পাননি এবং পুরো মামলাটি তৎকালীন বাইডেন প্রশাসনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ ছিল।

এখন দেশে ফিরে হার্নান্দেজকে দুর্নীতির অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে। তবে সমালোচকদের মতে, হন্ডুরাসের বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা এবং তাঁর রাজনৈতিক দলের পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসার কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত দায়মুক্তি পেতে পারেন।

মানবাধিকার সংগঠন রিফ্লেকশন, রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন টিমের আইনজীবী ও গবেষক জোয়াকিন মেহিয়া বলেন, "সমাজের একটি বড় অংশ এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। কিন্তু ভয়ের কারণে তারা প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছে না। আমরা এমন একজন ব্যক্তির কথা বলছি, যাকে অনেকেই মাদক চক্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে বিবেচনা করেন।"

হার্নান্দেজের দেশে ফেরা হন্ডুরাসে বিচারব্যবস্থা, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর বিরুদ্ধে চলমান মামলার অগ্রগতি শুধু হন্ডুরাসের বিচারব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাই নয়, দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতাও পরীক্ষা করবে।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
গাড়ি হামলায় ‘সমকামী উৎসব’ বাতিল, ‘ইসলামপন্হি’ যুবককে খুঁজছে পুলিশ
ছবি: সংগৃহীত
বার্লিনে কেন জড়ো হচ্ছেন হাজার হাজার টাক মাথার মানুষ?
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে ৪.৬ মাত্রার ভূমিকম্প