• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

হাসিনার বন্দিশালার ভয়াবহ নির্যাতনের বিবরণ দ্বিতীয় প্রতিবেদনেও

   ৬ জুলাই ২০২৫, ১১:৩০ এ.এম.
শেখ হাসিনা ও নির্যাতনের প্রতীকী চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের বহু আগে থেকেই আলোচনায় আসে তার সরকারের গোপন বন্দিশালা ও গুম-নির্যাতনের বিভীষিকাময় অধ্যায়। সম্প্রতি গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের দ্বিতীয় প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে সেই ‘আয়নাঘর’সহ ভয়াবহ নির্যাতনের নতুন সব তথ্য।

সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার হাতে ‘আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ: আ স্ট্রাকচারাল ডায়াগনসিস অব এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়। এতে ২৫৩ জন গুম হওয়া ব্যক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যারা কেউ ৩৯ দিন, কেউ ৩৯১ দিন পর্যন্ত নির্যাতনের মুখোমুখি ছিলেন।

যেভাবে গুমের শিকার ব্যক্তিদের ওপর চালানো হতো অকথ্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন—
▪ ঝুলিয়ে রাখা
▪ বাঁশডলা
▪ বৈদ্যুতিক শক
▪ ওয়াটারবোর্ডিং
▪ উলঙ্গ করে বেধড়ক মার
▪ নখ উপড়ে ফেলা
▪ শীতে কম্বল বা বালিশ না দেওয়া
▪ হাতকড়া পরিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখা

নির্যাতনের তীব্রতায় অনেকেই অজ্ঞান হয়ে যেতেন, বমি করতেন, কেউ কেউ নিজের শরীরের পোড়া মাংসের গন্ধ পেতেন।

২০১৭ সালে অপহৃত ২৭ বছর বয়সী হাবিব জানান, গ্রিলের সঙ্গে হাতকড়া পরিয়ে তাকে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো দিনের পর দিন। আঙুলে প্লাস দিয়ে চাপ দেওয়া, সূচ ঢোকানো ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এই নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি নারী গুমভিক্টিমরাও।

২০১৮ সালে গুম হওয়া ২৫ বছর বয়সী এক নারী জানান, তাকে ক্রুশবিদ্ধের মতো ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হয়। অত্যাচারের মাত্রায় পিরিয়ড পর্যন্ত শুরু হয়ে যায়। তাদের ওড়না কেড়ে নেওয়া, অমানবিক আচরণ ছিল নিত্যদিনের চিত্র।

প্রতিবেদন বলছে, র‍্যাব-২, সিপিসি-৩ এর হেফাজতে তৈরি হয়েছিল অত্যাধুনিক টর্চার সেল। ঘূর্ণায়মান চেয়ার, পুলি সিস্টেম, সাউন্ডপ্রুফ রুম—সব ছিল নিখুঁত নির্যাতনের জন্য। নির্যাতনের দাগ মুছে জনসমক্ষে হাজির করা হতো, যদিও বিচার বিভাগ অনেক ক্ষেত্রেই তা উপেক্ষা করেছে।

২০২৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলপূর্বক গুম, অপহরণ, গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখার বিষয়গুলো তদন্ত করে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান, নির্যাতনের ধরন ও দায়ীদের চিহ্নিত করাই তাদের কাজ।

ভিওডি বাংলা/ডিআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা