• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি পর্তুগালের ড্রতে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন, লাভে ব্রাজিল

ডিজিটাল ব্যাংক আবেদনের সময়সীমা বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৬:০৫ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়েছে। নতুন ঘোষণায় জানানো হয়েছে, আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। 

সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আবেদনকারীদের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা তৈরি ও প্রয়োজনীয় দলিল সংগ্রহের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন তারিখ অনুযায়ী ২ নভেম্বর (রোববার) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যাবে। তবে পূর্বের বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে। এর আগে গত ২৬ আগস্ট প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হতে হবে ৩০০ কোটি টাকা। প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক খাতের বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহজ করা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

আবেদনকারীদের নির্ধারিত ফরম পূরণের পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা অফেরতযোগ্য ফি ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে জমা দিতে হবে। আবেদন সরাসরি জমা দেওয়ার পাশাপাশি ই-মেইলের মাধ্যমেও নথি পাঠাতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্থিক খাতে কার্যকারিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই ডিজিটাল ব্যাংক চালু হবে। এর জন্য আলাদা শাখা, উপশাখা বা এটিএম বুথের প্রয়োজন হবে না; সব সেবা অ্যাপ-নির্ভরভাবে মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা প্রণয়ন করে। তখন ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ধরা হয়েছিল ১২৫ কোটি টাকা, যা পরে সংশোধন করে ৩০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। প্রচলিত ব্যাংকের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী এবং পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালিত হবে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশন অনুসারে।

ভিওডি বাংলা/ এমপি

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন
প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল: সিপিডি
প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল: সিপিডি