• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

খুব শিগগিরই দেশে ফিরে আসবেন তারেক রহমান: মঈন খান

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি    ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:৪৯ পি.এম.
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। ছবি-সংগৃহীত

ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মঈন খান বলেন, ২৫ বছর আগে বিএনপি সরকার থাকাকালে আমি লক্ষ্য করেছিলাম- তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছিলেন। তারেক রহমান কেবল ঘরে বসে রাজনীতি করেননি, তৃণমূল পর্যায়ে গিয়ে জনগণের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলেছিলেন। আজও তিনি লন্ডনে থেকেও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হচ্ছেন, তাদের কথা শুনছেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের যে আলোচনা এখন চলছে, তা তারেক রহমান আড়াই বছর আগেই উপস্থাপন করেছেন। তাই বিএনপিকে সংস্কার শেখানোর প্রয়োজন নেই, বরং অন্যদের তার কাছ থেকেই শেখা উচিত।

মঈন খান বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার ২৪ নম্বর ধারায় নারী ও শিশুর অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই দফাগুলো স্মরণ করে আমরা ভবিষ্যতে নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ধারা পুনরুদ্ধার করবো। 

তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুদূর লন্ডন থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন, ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই দেশে ফিরে এসে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। গণতন্ত্রের পুনরুত্থানের জন্য এটিই এখন জাতির একমাত্র চাওয়া। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

ভিওডি বাংলা/ এমএইচপি

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টি সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে