• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

দেশে ফেরার পরের দুদিন যেসব কর্মসূচি তারেক রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:২৮ পি.এম.
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি-সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষ্যে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের কারণে সৃষ্ট অসুবিধার জন্য নগরবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে দলটি। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কর্মসূচি তারেক রহমান সমর্থন করেন না বলেও জানানো হয়েছে। 

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অভ্যর্থনা কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ।

এ সময় তিনি বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘবেই রাজধানীর একপাশে ৩০০ ফুট সড়কের সার্ভিস লেনে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তারেক রহমান ছাড়া আর কেউ বক্তব্য দিবেন না। নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতায়াতে কাঞ্চন ব্রিজ ব্যাবহারের। 

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এরপর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।  

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৩০০শ ফুট সড়কে সংবর্ধনা নিয়ে মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখান থেকে পরে গুলশানের বাসভবনে যাবেন।   

এরপর শুক্র ও শনিবার তারেক রহমানের কর্মসূচি রয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যাবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন তিনি।

পরদিন শনিবার ভোটার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে যাবেন নির্বাচন ভবনে এবং জুলাই আন্দোলনে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন পঙ্গু হাসপাতালে। সেদিন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতেও যাবেন তারেক রহমান।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
জাতীয় নাগরিক পার্টি সংস্কার নিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, সনদ বাস্তবায়নে তাদের বাধ্য করতে হবে
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে
মানবাধিকার সার্বজনীন, ভিন্নমত দমনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে