• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

যেভাবে যাচাই হয় প্রার্থীদের হলফনামা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক    ২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৮ পি.এম.
প্রধান নির্বাচন কমিশন ভবন। ছবি-সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলের পর প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামার তথ্য যাচাই-বাছাই শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হলফনামায় উল্লেখ করা আয়-ব্যয়, সম্পদের বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মামলার তথ্য প্রকাশের পর এসব তথ্যের বাস্তবতা নিয়ে জনমনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ও আলোচিত প্রার্থীদের ঘোষিত আয় ও সম্পদের পরিমাণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, হলফনামার তথ্য যাচাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পুলিশ ও আদালতের সহায়তা নেওয়া হয়। আয়কর রিটার্ন, ঋণ, মামলা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব থাকে রিটার্নিং কর্মকর্তার ওপর। তবে বিশ্লেষকদের মতে, হাজার হাজার প্রার্থীর তথ্য অল্প সময়ে গভীরভাবে যাচাই করা বাস্তবসম্মত নয়।

নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী, হলফনামা নিয়ে অভিযোগ করলে দালিলিক প্রমাণসহ কাউন্টার এফিডেভিট জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সাধারণ মানুষ বা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও অভিযোগ করতে পারেন। তবে অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী না হলে এসব যাচাইয়ের কোনো বাস্তব সুফল পাওয়া যায় না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হলফনামা যাচাইয়ের জন্য যে সময় দেওয়া হয়, তাতে সঠিকভাবে তথ্য যাচাই করা প্রায় অসম্ভব।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে হলফনামা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি মূলত আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে। এতে প্রকৃত তথ্য উঠে আসে না। তার মতে, কোনো শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার বার্ষিক আয় কয়েক লাখ টাকা দেখানও বাস্তবসম্মত নয়, অথচ সেসব তথ্যই গ্রহণ করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য জেসমিন টুলি বলেন, সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে ইসির। তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী জেল ও জরিমানার বিধানও আছে।

ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দুই কোটি টাকা। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন সাড়ে তিন লাখ টাকা, অথচ তার নামে রয়েছে কোটি টাকার সম্পদ। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ১৩ লাখ টাকার বেশি, সম্পদ ৩২ লাখ টাকা। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের নগদ অর্থ দেখিয়েছেন ৬০ লাখ টাকার বেশি, আগের নির্বাচনের তুলনায় যা বেড়েছে। এসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ/ এমপি

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
শ্রীলঙ্কায় সার্কের সিভিওদের সভা শুরু
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা