ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল
| প্রাপ্ত আসন | ১৮০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ৬৬ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ৬ |
| প্রতীক |
|
সরকার গঠন নিশ্চিত বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় নিশ্চিত করেছে বিএনপি। নির্বাচন হওয়া ২৯৯ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা ১৮১টি আসনে জয় পেয়েছেন। এরমধ্য দিয়ে দুই দশক পর একক সংখাগরিষ্ঠতা নিয়ে দলটির সরকার গঠন নিশ্চিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত ভোটগণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা এসব আসনের ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা ১৮১টি আসনে জয় পেয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৬৬টি আসন। অন্যান্য দলের মধ্যে এনসিপি ৬টি, খেলাফত মজলিস ৩, অন্যান্য দলগুলো ৫টি আসন পেয়েছে। নির্বাচনে সারা দেশে মোট ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৬০ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাকি আসনগুলোর ফলাফল ঘোষণা চলছিল।
বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকা-১৫ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জিতেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কুমিল্লা-৪ আসনে জয় পেয়েছেন এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ ও রংপুর-৪ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী আখতার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫০টি দল এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এসব দলের ২ হাজার ২৯ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে ছিলেন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী ৮০ জন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ২০১৪ সালে ‘একতরফা’, ২০১৮ সালে ‘রাতের ভোট’ এবং ২০২৪ সালের ‘আমি-ডামির নির্বাচন’ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। গত ১১ ডিসেম্বের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নির্বাচনি দুয়ারে প্রবেশ করে দেশ। এই নির্বাচনে ভোটারদের একটি বড় অংশের অভিযোগ ছিল, তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৫ ভোটারের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রায় ৪ কোটি তরুণ ভোটদানের সুযোগ পেয়েছেন।
ভিওডি বাংলা/ আরকেএইচ







