• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
চুক্তির মেয়াদ শেষের আগেই সরে দাঁড়াতে পারেন আইজিপি রমজান মাসজুড়ে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন স্পিকার ও পররাষ্ট্রসচিব বিজয়-রাশমিকার বিয়ে: নেটফ্লিক্সের ৮১ কোটি টাকার প্রস্তাব নাকচ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কি নতুন ভারসাম্যে ফিরবে? যুবকের ফাঁদে যুবতী সর্বস্বান্ত, আদালতে মামলা মাদক নিয়ে বিরোধ: ছেলেকে জখম ও পিতাকে কুপিয়ে হত্যা যুবদল নেতার দোকান ভাঙচুর, জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারি গ্রেপ্তার

সঠিক সময় খাবারের নিয়ম না মানলে বাড়ে ডায়াবেটিস

লাইফস্টাইল    ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩ পি.এম.
ছবি-ভিওডি বাংলা

ডায়াবেটিস রোগীদের সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি হলো সুশৃঙ্খল জীবনযাপন। বিশেষ করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে সকালের নাস্তা বা ব্রেকফাস্ট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক রোগী ওজন কমানোর আশায় বা অলসতার কারণে সকালের নাস্তা এড়িয়ে যান বা দেরিতে খান, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকলে শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বিঘ্নিত হয়। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত ওঠানামা করতে থাকে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ইনসুলিন বা ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্রহণ করেন, তারা সময়মতো নাস্তা না করলে রক্তে সুগার হঠাৎ কমে গিয়ে ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’র ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এটি রোগীর জন্য তাৎক্ষণিক বিপদের কারণ হতে পারে। এছাড়া অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ, চোখের সমস্যা ও কিডনির জটিলতার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি করে।

ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞরা বলেন, রোগীদের উচিত সকাল ৮টার মধ্যে নাস্তা শেষ করা। প্রয়োজন অনুযায়ী বড়জোর সকাল ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়। তবে সকাল ১০টা বা ১১টার পর নাস্তা করলে তা উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। রাতে খাবারের অন্তত দুই ঘণ্টা পর একটি মাঝারি মানের ফল খাওয়া রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

নাস্তায় কী খাওয়া উচিত তা নিয়েও বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন। পরোটা, সাদা পাউরুটি বা অতিরিক্ত ময়দাযুক্ত খাবার দ্রুত রক্তে শর্করা বাড়ায়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলা ভালো। পরিবর্তে ওটস বা আঁশসমৃদ্ধ লাল আটার রুটি ভালো বিকল্প, কারণ এগুলো ধীরে হজম হয় এবং রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়তে দেয় না। এছাড়া নাস্তায় উন্নত মানের প্রোটিন যেমন-ডিম, মাছ বা চিকেন রাখা উচিত। এগুলো পেট ভরা রাখার পাশাপাশি সুগার নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

নাস্তা শেষ করার পর কেবল বসে না থেকে অন্তত ১০ মিনিট হালকা হাঁটাচলা করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সময় কম থাকলে ঘরের ভিতর কয়েক মিনিট স্কোয়াট বা হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে। এই শারীরিক নড়াচড়া শরীরের গ্লুকোজ ব্যবহারে সহায়তা করে এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত ওষুধ এবং পরিমিত ব্যায়ামের সমন্বয় ডায়াবেটিস রোগীদের সুস্থ জীবনের মূল ভিত্তি। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়, দীর্ঘমেয়াদে হার্ট, কিডনি ও চোখের জটিলতার ঝুঁকি কমে আসে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আজ প্রপোজ ডে: প্রিয়জনকে জানানোর সেরা উপায়গুলো
আজ প্রপোজ ডে: প্রিয়জনকে জানানোর সেরা উপায়গুলো
যে সময়ে ঘুমালে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি
যে সময়ে ঘুমালে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি
শিশুরা ঘুমের মধ্যে হাসে কেন?
শিশুরা ঘুমের মধ্যে হাসে কেন?