আলোচনায় আব্দুল মঈন খান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। আগামী মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নেবে নতুন সরকার। দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি সরকারের মন্ত্রী সভায় কারা থাকছেন তা নিয়ে নানা মহলে চলছে আলোচনা।
সরকার গঠনের পাশাপাশি বিরোধী বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমন্বয়, সাংবিধানিক দায়িত্ব ও পার্লামেন্টের কার্যক্রম পরিকল্পনায় স্পিকারের পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই মন্ত্রীদের পাশাপাশি এ পদে কে আসছেন-সে বিষয়েও আলোচনা চলছে।
দলটির নেতারা মনে করছেন, স্পিকার পদটি শুধু সংসদ সূত্রে আইন ও অনুষ্ঠান পরিচালনা নয়, বরং বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পর্ক, সংসদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও পার্লামেন্টের মর্যাদা রক্ষায় একটি বড় ভূমিকা পালন করে। এই কারণে অভিজ্ঞ একজনকে এ দায়িত্বে নিয়ে আসা গুরুত্বপূর্ণ।
স্পিকারের পদে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ড. আবদুল মঈন খানের নাম বেশ জোরালোভাবে উঠেছে। কারণ, দলীয় সূত্রগুলো মনে করছে, রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক শক্তির রয়েছে তার। ফলে স্পিকারের পদে তিনি যোগ্য। তাই নতুন সরকারে স্পিকারের দায়িত্বে তাকে দেখতে চান বিএনপির নেতারা।
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খান এর ছেলে ড. মঈন খান। বাবার হাত ধরেই তিনি রাজনীতি শুরু করেন। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। এর আগে খালেদা জিয়ার মন্ত্রীসভার সদস্য হিসাবে তথ্যমন্ত্রী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী (১৯৯৩-৯৬), বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী (২০০২-০৬) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ সাসেক্স থেকে পিএইডি অর্জন করেন।
ভিওডি বাংলা/ আরকেএইচ







