• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

আজিজ খান ও এস আলমের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৬ পি.এম.
মুহাম্মদ আজিজ খান ও সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম)। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ব্যবসায়িক লেনদেন সংক্রান্ত তদন্ত চলমান থাকায় সিঙ্গাপুরে বসবাসরত দুই ব্যবসায়ী—মুহাম্মদ আজিজ খান ও সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম)—এবং তাদের পরিবারের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। 

সোমবার সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইট টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তের বিষয়ে দুই ব্যবসায়ীই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মুহাম্মদ আজিজ খান বাংলাদেশে বিদ্যুৎ, বন্দর অবকাঠামো, যোগাযোগ ও রিয়েল এস্টেট খাতে ব্যবসা পরিচালনা করেন। তিনি সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, তার ও পরিবারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে কোনো মামলা নেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সরকারের যেকোনো অনুসন্ধানকে সমর্থন করছি এবং বিশ্বাস করি, আমরা নির্দোষ প্রমাণিত হব।’

অন্যদিকে, সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম) খাদ্য উৎপাদন, জ্বালানি, পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তার ও পরিবারের বিরুদ্ধেও বাংলাদেশে তদন্ত চলছে। তদন্তের অংশ হিসেবে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এর ফলে তাদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনৈতিক অর্থ লেনদেন প্রতিরোধ কমিটি ১০টি বড় ব্যবসায়ী গ্রুপের প্রায় ৬৬ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করে। উল্লিখিত ব্যবসায়ী গ্রুপগুলোও ওই তালিকায় ছিল।

মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগকে বিলম্বিত করছে, বিশেষ করে নতুন প্রকল্পের ক্ষেত্রে।’

বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও চলমান তদন্ত প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে দুই ব্যবসায়ীই জানিয়েছেন, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং নিজেদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখেন।

ভিওডি বাংলা/ আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আজ নির্ধারিত হবে এলপিজির নতুন দাম
আজ নির্ধারিত হবে এলপিজির নতুন দাম
দেশের ইতিহাসে রেকর্ড রেমিট্যান্স এলো মার্চে
দেশের ইতিহাসে রেকর্ড রেমিট্যান্স এলো মার্চে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ৬১ হাজার মেট্রিক টন গম
যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ৬১ হাজার মেট্রিক টন গম