জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুশফিকীন নূর কে হাইকোর্টে তলব

সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়নের দুর্লভপুর নৌকাঘাটটি ১৪৩২ বাংলা সনের জন্য সর্বোচ্চ দরদাতা ইজারাদার ইয়াকবীর হোসেন আফেন্দি কে বুঝিয়ে না দেয়ার অভিযোগে জামালগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুশফিকীন নূর কে স্ব শরীরে হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি মহামান্য হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে জবাব দেওয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
জানা যায়,১৪৩২ বাংলা সনে ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ইজারা মূল্যে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ইজারাদার নির্বাচিত হন উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়নের দূর্লভপুর নিবাসী মোঃ রজব আলীর পুত্র ইয়াকবীর হোসেন। কিন্তু সঠিক সময়ে ইজারা মুল্য পরিশোধ করার পরও দুর্লভপুর নৌকাঘাটটি তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়নি।
একপর্যায়ে নৌকাঘাটের দখল না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ইজারাদার ইয়াকবীর হোসেন, উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারপতি মোছাঃ ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোঃ আসিফ হাসান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ, ৫৩০/২০২৫ নং কনটেম্পট পিটিশন মামলায় এ আদেশ দেন।
এর আগে ইজারাচুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দখল না দেয়ায় মহামান্য হাইকোর্টে ১৩১৪৪/২০২৫ নং রিট পিটিশন দায়ের করেন ইয়াকবীর আফিন্দি। গত ২৪ আগস্ট থেকে এক বছরের জন্য তাকে দখল কেন দেওয়া হবেনা মর্মে কারণ জানতে চেয়ে রুল জারীপূর্বক ১৫ দিনের মধ্যে দখলদেহী বুঝিয়ে দেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশনা প্রদান করেন হাইকোর্ট। গত ১/১২/২০২৫ইং তারিখে শুনানী শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে রুল জারী করা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুশফিকীন নূর এর মুঠোফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য জানা যায়নি।
অন্যদিকে আদালত অবমাননা মামলার বাদী ক্ষতিগ্রস্থ ইজারাদার ইয়াকবীর হোসেন আফিন্দি বলেন,বিজ্ঞ হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাই কপি ইতিপূর্বে তার দপ্তরে আমি জমা দিয়ে রিসিভিং নিয়েছি। তারা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদানপূর্বক আদালতের আদেশের কপি বুঝিয়ে নিয়েছেন।
ভিওডি বাংলা/ এম আর সজিব/ আ







