• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৩ এ.এম.
ফ্যামিলি কার্ডের নমুনা হাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-ফাইল ছবি

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করার প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক বা পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের লক্ষ্য-সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত, ডিজিটাল ও লক্ষ্যভিত্তিক করা এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

এ লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কাঠামো, নকশা, বাস্তবায়ন কৌশল এবং সুবিধাভোগী বাছাইয়ের নীতিমালা প্রণয়ন করবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিনকে সদস্য করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিবও এই কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সমন্বয়ে দ্রুত একটি কার্যকর বাস্তবায়ন কাঠামো তৈরি করাই কমিটির প্রধান দায়িত্ব।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করা হবে। এসব উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। পাইলট পর্যায়ের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে পরবর্তীতে সারাদেশে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে-ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, কারা অগ্রাধিকার পাবেন, কীভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং কীভাবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে-এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা তৈরি করা। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবার, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নারীদের জন্য বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে ফ্যামিলি কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না-তা-ও খতিয়ে দেখবে কমিটি। এতে বিদ্যমান সহায়তা কাঠামোর সঙ্গে নতুন কর্মসূচির সমন্বয় ঘটানো সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগে। সুবিধাভোগীদের একটি নির্ভুল ও সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেইজের মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে একটি ডিজিটাল এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) গড়ে তোলার সুপারিশ করবে কমিটি, যাতে তথ্য যাচাই, নির্বাচন ও বিতরণ প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়।

সরকার ঈদুল ফিতরের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করতে চায়। সে লক্ষ্য পূরণে কমিটিকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটির সভা প্রয়োজন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ কমিটিকে সার্বিক সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই কর্মসূচি চালু হলে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা
বাংলাদেশি সমর্থকদের নিয়ে বিশেষ ভ্লগ বানাবে আর্জেন্টিনা
অসহায় রোগীদের জন্য ২০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ
অসহায় রোগীদের জন্য ২০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ