• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

আইএএএস গ্লোবাল প্রজেক্টে দ্বিতীয় স্থান অর্জন ইবির দুই শিক্ষার্থীর

ইবি প্রতিনিধি    ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৪ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ স্টুডেন্টস ইন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রিলেটেড সায়েন্সেস (আইএএএস) এর গ্লোবাল প্রজেক্ট প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুই শিক্ষার্থী। তারা হলেন বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের দুই শিক্ষার্থী বর্ষণ কর্মকার প্রান্ত এবং সাদিয়াতুল কেয়া।

জানা যায়, ‘A Sustainable Microbial Fuel Cell Platform for Power Generation, Nitrogen Gas Recovery, and Wastewater Bioremediation Using Exoelectrogenic Bacteria’ শিরোনামে মাইক্রোবায়াল ফুয়েল সেল (MFC) প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা পেপার জমা দেন তারা। প্রজেক্টটি তত্ত্বাবধান করছেন বিভাগের মেডিকেল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজি ল্যাবের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর প্রফেসর ড. আবু হেনা মোস্তফা জামাল।

বর্ষণ কর্মকার প্রান্ত জানান,গবেষণায় মাইক্রোবায়াল ফুয়েল সেল (MFC) প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছি। এটি বায়োইলেকট্রোকেমিক্যাল সিস্টেম, যা এক্সোইলেকট্রোজেনিক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে পৌরসভার বর্জ্যপানি ও সমুদ্রের দূষিত পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি দূষিত পানি পরিশোধনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম এবং একই সঙ্গে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে নাইট্রোজেন গ্যাস পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে, যা পরিবেশবান্ধব। ভবিষ্যতে মাইক্রোবায়াল ফুয়েল সেল প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিল্পকারখানার রঞ্জক বর্জ্য অপসারণ, ভারী ধাতু ক্ষয়, বায়োগ্যাস ও বায়োডিজেল উৎপাদন, এমনকি প্লাস্টিক ক্ষয়ের মতো পরিবেশবান্ধব গবেষণায় কাজ করার পরিকল্পনা করছি।

সাদিয়াতুল কেয়া জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করার ক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে পর্যাপ্ত সুবিধা পাওয়া যায় না যার ফলে  শিক্ষার্থীরা এইরকম প্রোজেক্ট থেকে বঞ্চিত হয়। প্রধান সমস্যা হলো গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব, আধুনিক ল্যাব ও উন্নত যন্ত্রপাতির স্বল্পতা, অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানের ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক জার্নাল ও ডাটাবেসে সীমিত অ্যাক্সেস। এছাড়া শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সাথে সহযোগিতা কম থাকায় গবেষণার বাস্তব প্রয়োগও সীমিত হয়ে যায়। এসব কারণে অনেক শিক্ষার্থী তাদের গবেষণার সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারে না। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি আমাদের প্রপারলি সহযোগিতা করতে পারে তাহলে শিক্ষার্থীরা নিজেকে আরও উন্নতর করে গড়ে তুলতে পারবে। 

উল্লেখ্য গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, আইএএএস আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার ঘোষণা দিলে আইএএএস বাংলাদেশ আইইউ কমিটির পক্ষ হতে তারা গবেষণা প্রজেক্ট জমা দেয়। প্রতিযোগিতায় ১০০-এর বেশি প্রজেক্ট জমা পড়ে। পরবর্তীতে সায়েন্টিফিক কমিটি জমাকৃত প্রজেক্টগুলোর মধ্য থেকে সেরা ৭টি প্রজেক্ট চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্বাচিত সাতটি প্রজেক্টের টিম লিডাররা তাদের গবেষণার বিস্তারিত উপস্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেন।

ভিওডি বাংলা/মো. সামিউল ইসলাম/আ


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো সুপারিশ ও টাকা লাগবে না
এমপি হারুন-অর-রশিদ: ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো সুপারিশ ও টাকা লাগবে না
রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯
রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯
আমরা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবো না: মির্জা ফখরুল
আমরা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবো না: মির্জা ফখরুল