• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

ইনকিলাব মঞ্চ

‘শহীদ ইসমাইলের প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে’

   ২৩ জানুয়ারী ২০২৫, ০৬:৫৭ পি.এম.

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে শহীদ ইসমাইল হত্যার মিথ্যা মামলায় ডেল্টা মেডিকেলের ডা. সাদির ও চার কেয়ারটেকারকে মুক্তি দেওয়া হয়। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ডা. সাদি ও দারোয়ানদের মুক্তি উপলক্ষে শহীদ ইসমাইলের প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের  অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ইনকিলাব মঞ্চ।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি বলেন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ এ হাতিরঝিল থানায় শহীদের স্ত্রী লাকি আক্তার ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৫১ জনকে আসামী করে মামলা করেন। সেখানে আওয়ামী লীগ ও ডিবি সদস্যদের নামে মামলা করা হয়।

কিন্তু ১৭ই জানুয়ারি পর্যন্ত এই ৪ মাস থানা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল অপরাধীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে নাই। ইব্রাহিম মাহমুদের ভাইরাল পোষ্টের ভিত্তিতে ডেল্টা মেডিকেলের ডা. সাদি সহ ৪জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পোস্টে উল্লেখ ছিলো, রিক্সা চালক ইসমাইল বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। এবং ডেল্টা মেডিকেলের ডা. সাদি সহ দারোয়ানরা তাকে চিকিৎসা নিতে দেননি।

তিনি বলেন, যেই ফ্যাসিবাদের সহযোগী তানবীর হোসেন জোহার থাকার কথা কারাগারে সেই তানবীর হোসেন জোহা ডা. সাদির নামে মামলা করে এবং তিনি পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে মামলা গ্রহণ করেন এবং যখন তার আদালতে থাকার কথা তখন তিনি নিজে ডেল্টা মেডিকেল গিয়ে পুলিশদের সহযোগিতা করেছেন ডা. সাদিকে গ্রেপ্তার করার। অজ্ঞাত নামায় আসামিদের ৩০২ ধারায় মামলা দেওয়া হয়। যা জামিন অযোগ্য। এবং অপরাধ প্রমানিত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।

ইনকিলাব মঞ্চ বলেন, শহীদ ইসমাইলের প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের  অপসারণ করতে হবে। 

ভিওডি বাংলা/এম


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ঈদকে সামনে রেখে ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল চক্রটির : ডিবি
ঈদকে সামনে রেখে ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল চক্রটির : ডিবি
বিশ্বে বায়ু দূষণে শীর্ষে ঢাকা
বিশ্বে বায়ু দূষণে শীর্ষে ঢাকা
গাড়িতে বিআরটিএ নির্ধারিত নিবন্ধন নম্বর প্লেট না পেলে কঠোর ব্যবস্থা
ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তি গাড়িতে বিআরটিএ নির্ধারিত নিবন্ধন নম্বর প্লেট না পেলে কঠোর ব্যবস্থা