শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। নতুন সরকারের অধীনে দায়িত্ব নেওয়ার পর শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে তার দপ্তর কোনো উদ্যোগ নেবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা উদ্যোগ নেব। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা যথাযথ উদ্যোগ নেব।”
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, “তিনি (শেখ হাসিনা) ভারতে আছেন বলে আমরা জানি। তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাকে ফেরত আনাটা আইনগত ব্যাপার। নিশ্চয়ই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
আগের প্রসিকিউশন টিম এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিয়েছিল কি না এবং তার অগ্রগতি কোথায়—এমন প্রশ্নের উত্তরে আমিনুল ইসলাম বলেন, “সেটা (আগের উদ্যোগ) আমি এখনো জানি না।”
ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত অপরাধের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়।
২০২৪ সালের ১৪ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট সময়ের মধ্যে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গত বছরের ১৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করে।
রায়ে শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আর মামলার অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হিসেবে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এ ছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস







